মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) ৬ষ্ঠ-৯ম ও এসএসসি ক্লাস রুটিন ২০২১ নিয়ে ১৬টি নির্দেশনা দিয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি ও শারীরিক দূরত্ব মেনে শ্রেণি পাঠদান নিশ্চিত করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো নির্দেশনা অনুযায়ী রুটিন তৈরি করবে। প্রতিদিন নির্দিষ্ট শ্রেণিতে দুটি করে ক্লাস ধরে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রুটিন তৈরি করবে।
মাধ্যমিক স্তরের শ্রেণি কার্যক্রমের সূচি ২০২১ প্রকাশ করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১ তারিখ থেকে সারাদেশের মাধ্যমিক স্তরের সব সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শ্রেণি কার্যক্রম নিচে উল্লিখিত সূচি অনুযায়ী পরিচালনা করতে বলা হয়েছে মাউশি’র বিজ্ঞপ্তিতে।
>> ৯ম শ্রেণির ক্লাস হবে শনিবার, ৮ম শ্রেণির ক্লাস রবি ও বৃহস্পতিবার, ৭ম শ্রেণির ক্লাস সোমবার, ৬ষ্ঠ শ্রেণির ক্লাস মঙ্গলবার, ৯ম শ্রেণির ক্লাস বুধবার।
>> ৬ষ্ঠ ও ৭ম শ্রেণির ক্লাস সপ্তাহে ১ দিন
>> ৮ম ও ৯ম শ্রেণির ক্লাস সপ্তাহে ২ দিন
>> এসএসসি (২০২১) দমশ শ্রেণির (এসএসসি ২০২২) ক্লাস প্রতিদিন
দেড় বছর বন্ধ থাকার পর ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১ থেকে দেশের প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণি পাঠদান শুরু হয়েছে।
২০২১ ও ২০২২ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থী এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ক্লাস হবে প্রতিদিন। অন্য শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ক্লাস সপ্তাহে এক দিন। রুটিন তৈরির নির্দেশনাগুলো হলো—
১. ২০২১ ও ২০২২ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থী এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা প্রতিদিন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসবে;
২. প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম ও নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা এক দিন প্রতিষ্ঠানে আসবে;
৩. সপ্তাহে প্রতিদিন নির্দিষ্ট শ্রেণিতে দুটি করে ক্লাস ধরে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রুটিন তৈরি করবে;
৪. রুটিনের সঙ্গে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে ব্যবহারিক ক্লাস নির্ধারণ করা যেতে পারে;
৫. যেসব প্রতিষ্ঠানে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তর সংযুক্ত রয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠান ওই সব স্তরের জন্য নির্ধারিত ক্লাসগুলো সমন্বয় করে রুটিন করবে;
৬. জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো চলমান ডিগ্রি, সম্মান ও মাস্টার্স পরীক্ষার সঙ্গে সমন্বয় সাপেক্ষে ২০২১ ও ২০২২ সালের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য রুটিন প্রণয়ন করে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা করবে;
৭. রুটিন প্রণয়নের ক্ষেত্রে লক্ষ রাখতে হবে যেন শিক্ষার্থীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রবেশ, প্রস্থান ও অবস্থানের সময় স্বাস্থ্যবিধি লঙ্ঘনের মতো ঘটনা না ঘটে;
৮. রুটিন এমনভাবে প্রস্তুত করতে হবে যেন ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ভিন্ন ভিন্ন সময় প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করে এবং প্রতিষ্ঠান থেকে বের হয়;
৯. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আপাতত অ্যাসেম্বলি বন্ধ থাকবে; ১০. প্রতিদিন নির্ধারিত চেকলিস্ট অনুযায়ী তথ্য পাঠাতে হবে;
১১. পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত ক্লাস রুটিন তৈরির ক্ষেত্রে উল্লিখিত বিষয়গুলো অনুসরণ করতে হবে।