সোমবার পর্যন্ত, কুয়াংচৌ-শেনচেন-হংকং এক্সপ্রেস রেলপথে আন্তঃসীমান্ত যাত্রী পারাপারে নতুন মাইলফলক অর্জন করলো চীন। এ বছর এই রেলপথে মোট ২ কোটি ৫৪ হাজার যাত্রী যাতায়াত করেছেন। শেনচেন রেলওয়ে বিভাগের সর্বশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছরের তুলনায় ১১ দিন আগেই এ রেলপথে ২ কোটি যাত্রীর আনাগোনা ঘটেছে।
পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, চীনের মূল ভূখণ্ড থেকে হংকং বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চলে (এইচকেএসএআর) যাওয়া যাত্রীর সংখ্যা ১ কোটি ৩২ লাখ ৭০ হাজার। অন্যদিকে, হংকং থেকে চীনের মূল ভূখণ্ডে যাওয়া যাত্রীর সংখ্যা ৯৭ লাখ ২৭ হাজার। দুই দিকেই যাত্রী চলাচল বেশ সক্রিয় রয়েছে।
দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের সিছুয়ান প্রদেশের পর্যটক ওয়াং বলেন, ‘গ্রীষ্মের ছুটিতে আমরা সন্তানকে ডিজনিল্যান্ডে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি। পাশাপাশি ভিক্টোরিয়া হারবারও দেখতে চাই। আমার মেয়ে স্কুলের বইয়ে এই জায়গার কথা পড়েছে।‘
হংকংয়ের বাসিন্দা ছ্য বলেন, ‘আমরা প্রায় ছয় দিনের ভ্রমণে নিজেদের শহর সিয়ামেনে ফিরছি। আমরা কুলাংইয়ু দ্বীপসহ আরও কয়েকটি জায়গা ঘুরব। আমার সন্তানরা আগে সেখানে যায়নি।‘
তথ্য অনুযায়ী, সপ্তাহান্তে আন্তঃসীমান্ত যাত্রী চলাচল সবচেয়ে বেশি থাকে। এ বছর দৈনিক যাত্রী চলাচল ১ লাখ ছাড়ানো দিনের সংখ্যা ৬৩-তে পৌঁছেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এই সংখ্যা চার দিন বেশি।
শেনচেন উত্তর রেলওয়ে স্টেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান ওয়েই লিয়াংই বলেন, ‘গ্রীষ্মকালীন ভ্রমণ মৌসুম শুরুর পর থেকে কুয়াংচৌ-শেনচেন-হংকং উচ্চগতির এক্সপ্রেস রেলপথে যাত্রী চলাচল ক্রমাগত বেড়েছে। মোট ৩৮ লাখ ১৭ হাজার যাত্রী যাতায়াত করেছেন। দৈনিক গড়ে যাত্রী ছিল ৯৩ হাজার। বিশেষ করে ৮ আগস্ট যাত্রী সংখ্যা ১ লাখ ৩৬ হাজারে পৌঁছায়। এটি ওই সময়ের মধ্যে এক দিনে সর্বোচ্চ যাত্রী চলাচলের নতুন রেকর্ড।‘
শেনচেন বহির্গমন ও প্রবেশ সীমান্ত পরিদর্শন স্টেশনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার বিকেল ৬টা পর্যন্ত এ বছর শেনচেনের বিভিন্ন বন্দর দিয়ে দেশটিতে প্রবেশ ও দেশ থেকে বের হওয়া মানুষের সংখ্যা ১৮ কোটি ২০ লাখে পৌঁছেছে। এর মধ্যে বিদেশি নাগরিকের সংখ্যা ৫২ লাখ ২৫ হাজার।
সূত্র: সিএমজি