জানুয়ারি ১৯, সিএমজি বাংলা ডেস্ক : দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের ছোংছিং পৌরসভায় সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে এক ব্যতিক্রমধর্মী ড্রোন ও আলোক প্রদর্শনী। এতে দেখানো হয়েছে কীভাবে আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় প্রাচীন সংস্কৃতিকে নতুন ও আকর্ষণীয় রূপে উপস্থাপন করা যায়।
নদীকে পর্দা এবং লেজারকে তুলির মতো ব্যবহার করে আয়োজিত “নিউ রাইম ছোংছিং” ড্রোন ও লাইট শো দর্শকদের জন্য তৈরি করে এক অনন্য ও নিমগ্ন অভিজ্ঞতা। প্রদর্শনীর অন্যতম আকর্ষণ ছিল “সমৃদ্ধির জন্য প্রস্ফুটিত ফুল” শীর্ষক পরিবেশনা, যা চীনা ঐতিহ্যবাহী প্রতীকে সমৃদ্ধ। এতে রাতের আকাশে ধীরে ধীরে ফুটে ওঠে একটি ফুল, যা প্রাচ্য সৌন্দর্যের প্রতীক। অল্প সময়ের মধ্যেই তার পাশে দেখা যায় ঝলমলে, রঙিন এক প্রজাপতি—আলো ও গতির এক মোহনীয় সমন্বয়।
“জল, স্থল ও আকাশ”—এই ত্রিমাত্রিক পরিবেশনা প্রদর্শনীর কাহিনি ও দৃশ্যপটকে আরও বিস্তৃত করেছে। বিশেষ করে ঐতিহ্যবাহী চীনা শৈলীতে নির্মিত থিমগুলো তরুণ দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা ফেং বলেন, “প্রতিটি দৃশ্য যখন স্থির হয়ে যায়, সেই মুহূর্তে আমি একই সঙ্গে বিস্মিত ও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়ি।”
রঙের ব্যবহারে আধুনিক রুচির কথা মাথায় রেখে উজ্জ্বল ও প্রাণবন্ত রঙের প্যালেট বেছে নেওয়া হয়েছে।
প্রযুক্তি শুধু ঐতিহ্যবাহী নকশা পুনর্নির্মাণেই সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং তথ্য সংগ্রহ, গতিশীল প্রোগ্রামিং ও রিয়েল-টাইম ইন্টারঅ্যাকশনের মাধ্যমে ‘বাটারফ্লাই লাভার্স’ ও ‘ধনভাণ্ডারের কলসি’র মতো চিরাচরিত প্রতীকগুলোকে রূপ দেওয়া হয়েছে অভূতপূর্ব ভাবে।
ঐশী/জেনিফার
তথ্য ও ছবি :সিসিটিভি
Advertisement