ঢাকা, এপ্রিল ২৩, সিএমজি বাংলা: চীন ও বাংলাদেশের মধ্যে শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশি স্টুডেন্টস অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন (ইয়ুননানের) নবনির্বাচিত সভাপতি ড. লুৎফর কবির। সম্প্রতি নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি তার চীন প্রবাসের স্মৃতি চারণ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানান।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. কবির ২০১৭ সালে পিএইচডি করতে চীনের ইয়ুননান বিশ্ববিদ্যালয়ে যান। সেই সময়ের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, "ইয়ুননান আমার দেখা অন্যতম চমৎকার একটি জায়গা। ২০১৭ সালে যখন খুনমিং চাংশুই বিমানবন্দরে নামি, সেটিই ছিল আমার প্রথম বিদেশ যাত্রা। চীনা ভাষা না জানা সত্ত্বেও সেখানকার শিক্ষক এবং সাধারণ মানুষের সহযোগিতা আমাকে দ্রুত মানিয়ে নিতে সাহায্য করেছে।"
২০২৩ সালে পিএইচডি শেষ করে দেশে ফেরা এই শিক্ষক আরও জানান, বিশেষ করে কোভিড-১৯ মহামারীর সেই কঠিন সময়ে তার সুপারভাইজার প্রফেসর ড. সুন ইউ-এর দিকনির্দেশনা ও সমর্থন ছাড়া এই ডিগ্রি অর্জন সম্ভব হতো না।
ড. কবির তার বক্তব্যে চীনকে বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং অবকাঠামোসহ প্রতিটি খাতে চীনের অবদান অনস্বীকার্য। ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিকভাবেও ইয়ুননান প্রদেশ বাংলাদেশের অত্যন্ত নিকটবর্তী।
অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় গর্ববোধ করে তিনি সকল প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের এই প্ল্যাটফর্মে সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, এই প্ল্যাটফর্মটি শুধুমাত্র স্মৃতিচারণের জন্য নয়, বরং দুই দেশের মধ্যে নতুন আইডিয়া বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে। ভবিষ্যতে চীন ও বাংলাদেশের শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে এটি একটি শক্তিশালী 'সেতুবন্ধন' হিসেবে কাজ করবে।
অনুষ্ঠানের শেষে তিনি সফলভাবে শিক্ষা সমাপনকারী সকল শিক্ষার্থীকে অভিনন্দন জানান এবং তাকে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত করায় সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
নাহার/হাশিম
তথ্য ও ছবি-সিএমজি বাংলা।