২০২৬ সালের জাপানের প্রতিরক্ষা শ্বেতপত্রকে ‘পুনঃআগ্রাসনের প্রতিফলন’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন উত্তর কোরিয়ার এক আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিষয়ক ভাষ্যকার। আজ (মঙ্গলবার) কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি (কেসিএনএ) এ তথ্য জানিয়েছে।
কেসিএনএ প্রকাশিত ভাষ্যকারের প্রবন্ধে বলা হয়েছে, ঐতিহাসিক অপরাধ অস্বীকার এবং দেশের সামরিকীকরণকে জাতীয় নীতির অংশ হিসেবে অনুসরণ করছে জাপান। একই সঙ্গে দেশটি আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন শক্তির সঙ্গে সামরিক জোট ও সহযোগিতা জোরদারে বেশি আগ্রহী হয়ে উঠেছে।
প্রবন্ধে আরও বলা হয়েছে, জাপানের ‘প্রতিরক্ষা শ্বেতপত্রে’ উত্তর কোরিয়াসহ বিভিন্ন প্রতিবেশী দেশকে ‘গুরুতর ও জরুরি হুমকি’ এবং ‘বড় কৌশলগত চ্যালেঞ্জ’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। ভাষ্যকারের মতে, এর মধ্য দিয়ে জাপান তার সামরিক শক্তি বৃদ্ধি ও সংশ্লিষ্ট পদক্ষেপের যৌক্তিকতা তুলে ধরার চেষ্টা করছে।
প্রবন্ধে বলা হয়েছে, জাপানের রাজনৈতিক অঙ্গনে ‘আগ্রাসনের প্রবণতা’ দীর্ঘদিন ধরেই বিদ্যমান। ‘প্রতিরক্ষার অজুহাত’ দেখিয়ে আগ্রাসী পদক্ষেপের উদ্দেশ্য আড়াল করার চেষ্টা করা হলেও, এসব পদক্ষেপ আঞ্চলিক শান্তির জন্য ক্ষতিকর এবং এর ফলে উত্তেজনা আরও বাড়ছে—এই বাস্তবতা আড়াল করা সম্ভব নয়।
সূত্র: সিএমজি বাংলা