৭৯তম বিশ্ব স্বাস্থ্য পরিষদ স্থানীয় সময় গতকাল (শনিবার) সুইজারল্যান্ডের জেনিভায় শেষ হয়েছে। সদস্য রাষ্ট্রগুলো ছয় দিনব্যাপী সম্মেলনে ধারাবাহিক ঐকমত্য অর্জন করেছে এবং ২০টিরও বেশি সিদ্ধান্ত ও ১৩টি প্রস্তাব পাস করেছে।
এবারের পরিষদের প্রতিপাদ্য ছিল ‘বৈশ্বিক স্বাস্থ্য পুনর্গঠন, যৌথভাবে দায়িত্ব পালন’। পরিষদের সভাপতি ও ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্রের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভিক্টর আটালা রাহজাম সমাপনী ভাষণে বলেন, পরিষদ মানবস্বাস্থ্য রক্ষার মূল দায়িত্বের ওপর দৃষ্টি কেন্দ্রীভূত করে ধারাবাহিক ঐকমত্য অর্জন করেছে, যা ব্যাপক প্রভাব ফেলবে। ভূরাজনৈতিক সংঘাত তীব্রতা, ঘনঘন জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা এবং বহুপাক্ষিক ব্যবস্থা গুরুতর চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হওয়ার প্রেক্ষাপটেও এ বছর পরিষদ অগ্রগতি অর্জন করতে পেরেছে, যা বহুপাক্ষিকতার শক্তি প্রদর্শন করে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রেয়াসুস সমাপনী ভাষণে সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে দ্রুত পরিষদের ফলাফলকে কর্মকাণ্ডে রূপান্তর করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য “রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি, টেকসই অর্থায়ন এবং সদস্য রাষ্ট্র, অংশীদার ও সম্প্রদায়ের মধ্যে অব্যাহত সহযোগিতা প্রয়োজন।”
চীনা প্রতিনিধিদল এ বছরের বিশ্ব স্বাস্থ্য পরিষদের ৬০টিরও বেশি এজেন্ডা আইটেমের আলোচনায় সক্রিয় ও গভীরভাবে অংশগ্রহণ করেছে, পার্শ্ব বৈঠকের আয়োজন করেছে এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও সংশ্লিষ্ট দেশের প্রতিনিধিদলের সাথে বিনিময় কার্যক্রম পরিচালনা করেছে, চীনের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিয়েছে এবং চীনের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছে।
সূত্র: সিএমজি বাংলা