জুলাই ১১, সিএমজি বাংলা ডেস্ক: চীন ও উত্তর কোরিয়ার স্বাক্ষরিত মৈত্রী, সহযোগিতা ও পারস্পরিক সহায়তা চুক্তির ৬৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে শনিবার শুভেচ্ছা বার্তা বিনিময় করেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট ও চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সি চিন পিং এবং উত্তর কোরিয়ার ওয়ার্কার্স পার্টির (ডব্লিউপিকে) সাধারণ সম্পাদক ও দেশটির রাষ্ট্রীয় বিষয়ক কমিশনের প্রেসিডেন্ট কিম জং উন।
শুভেচ্ছা বার্তায় সি চিন পিং বলেন, ১৯৬১ সালে চীন ও উত্তর কোরিয়ার প্রবীণ নেতারা চীন-উত্তর কোরিয়া মৈত্রী, সহযোগিতা ও পারস্পরিক সহায়তা চুক্তি স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তি দুই দেশের জনগণের রক্তের বন্ধনে গড়ে ওঠা ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বকে সুসংহত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও আইনগত ভিত্তি তৈরি করেছে।
তিনি বলেন, গেল ৬৫ বছরে এই চুক্তি দু’দেশের বন্ধুত্বকে এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
সি আরও বলেন, দু’দেশ চুক্তির চেতনা ধারণ করে পারস্পরিক সমর্থন, ঐক্য এবং ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার মাধ্যমে সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়েছে।
তিনি স্মরণ করেন, চলতি বছরের জুনে উত্তর কোরিয়ায় তার রাষ্ট্রীয় সফরের সময় কিম জং উনের সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বকে আরও সমৃদ্ধের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঐকমত্যে পৌঁছানো হয়। যা নতুন যুগে চীন-উত্তর কোরিয়া সম্পর্কের উন্নয়নের জন্য কৌশলগত দিকনির্দেশনা এবং নতুন রূপরেখা তৈরি করেছে।
সি বলেন, দ্রুত পরিবর্তনশীল আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির মধ্যে তিনি কিম জং উনের সঙ্গে কৌশলগত যোগাযোগ আরও জোরদার করতে, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে এবং দুই দেশের জনগণের কল্যাণে সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণে কাজ করতে আগ্রহী।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি যেভাবেই পরিবর্তিত হোক না কেন, উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী বন্ধুত্বকে গুরুত্ব দেওয়া, কিম জং উনের নেতৃত্বে দেশটির সমাজতান্ত্রিক উন্নয়নকে সমর্থন করা এবং উভয় দেশের অভিন্ন স্বার্থ ও অনুকূল কৌশলগত পরিবেশ রক্ষার বিষয়ে চীনের অবস্থান অপরিবর্তিত থাকবে।
বার্তার শেষে সি চিন পিং আশা প্রকাশ করেন, কিম জং উনের নেতৃত্বে উত্তর কোরিয়ার জনগণ ওয়ার্কার্স পার্টির নবম কংগ্রেসের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের মাধ্যমে সমাজতান্ত্রিক উন্নয়নে আরও নতুন সাফল্য অর্জন করবে।
প্রতিবেদক- আফরিন মিম
তথ্য ও ছবি: সিএমজি বাংলা