চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে বৃহস্পতিবার শুরু হয়েছে ২০২৬ বৈশ্বিক ডিজিটাল অর্থনীতি সম্মেলন। এ সম্মেলনে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ নির্বাহী, ব্যবসায়িক পরিষদের প্রতিনিধি, গবেষক এবং কাজাখস্তান, কলম্বিয়া ও চাদের মন্ত্রী পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশ নিয়েছেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গ্লোবাল ডিজিটাল ইকোনমি সিটি অ্যালায়েন্স ‘২০২৬ গ্লোবাল ডিজিটাল ইকোনমি সিটিজ রিপোর্ট’ প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে ডিজিটাল প্রযুক্তি ও নগর কীভাবে পরস্পরকে প্রভাবিত ও রূপান্তরিত করছে তা বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ডিজিটাল প্রযুক্তি এমন হতে হবে যা সাধারণ মানুষের কাছে বাস্তব ও কার্যকর, ব্যবসার জন্য উপযোগী এবং সমাজের সব স্তরের মানুষের জন্য সহজলভ্য।
এ সময় আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন (আইটিইউ), আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কেন্দ্র (আইটিসি) এবং গ্লোবাল ডিজিটাল ইকোনমি সিটি অ্যালায়েন্স যৌথভাবে প্রকাশ করে ‘২০২৬ গ্লোবাল ডিজিটাল ইকোনমি লাইটহাউস কেসবুক’।
প্রকাশনাটিতে বেইজিং, জাকার্তা, মাদ্রিদ ও ইস্তাম্বুলসহ বিভিন্ন শহরের ১৩টি ‘লাইটহাউস কেস’ তুলে ধরা হয়েছে। এগুলো ছয়টি প্রধান বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে সাজানো হয়েছে। বিষয়গুলো হলো—সমন্বিত ডিজিটাল নগর শাসন, অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল জনসেবা, জলবায়ু-সহনশীল অবকাঠামো, ডিজিটাল প্রযুক্তি-নির্ভর জীবনমান উন্নয়ন, নিম্ন-কার্বন স্মার্ট পরিবহন ব্যবস্থা এবং ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর জন্য ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি।
রোববার পর্যন্ত চলা এ সম্মেলনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ডিজিটাল দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং শিল্পখাতের ডিজিটাল রূপান্তরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিশেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে।
আয়োজক কমিটির তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকে এ সম্মেলনে বিশ্বের ২০০টিরও বেশি দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার ১০ হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠান এবং প্রায় দেড় লাখ প্রতিনিধি অংশ নিয়েছেন। এ পর্যন্ত সম্মেলন থেকে ৫০০টি গুরুত্বপূর্ণ ফলাফল ও উদ্যোগ প্রকাশ করা হয়েছে।
সিএমজি বাংলা