জুলাই ৩, সিএমজি বাংলা: তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় বুধবার ‘সি চিন পিং: চীনের শাসনব্যবস্থা’ গ্রন্থের পঞ্চম খণ্ডের প্রকাশনা-উপলক্ষে একটি প্রচারমূলক অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়েছে। এতে চীন ও তুরস্কের সরকারি কর্মকর্তা, পণ্ডিত, প্রকাশক এবং বিভিন্ন খাতের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, গ্রন্থটির নতুন খণ্ড একটি প্রামাণ্য প্রকাশনা, যেখানে নতুন যুগে চীনা বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন সমাজতন্ত্র সম্পর্কে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের চিন্তাধারার সর্বশেষ অর্জনগুলো ব্যাপক ও পদ্ধতিগতভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এতে নতুন যাত্রাপথে চীনা আধুনিকায়নের তত্ত্ব ও বাস্তব প্রয়োগ সুস্পষ্টভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। পাশাপাশি মানবজাতির জন্য অভিন্ন ভবিষ্যতের সমাজ গঠনে চীনের দৃষ্টিভঙ্গি ও প্রস্তাবনার গভীর ব্যাখ্যাও রয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, অনুষ্ঠানটি চীন ও তুরস্কের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫৫তম বার্ষিকীর সঙ্গে মিলে যাওয়ায় এর তাৎপর্য আরও বেড়েছে। আধুনিকায়নকে কেন্দ্র করে রাষ্ট্রীয় শাসনব্যবস্থার অভিজ্ঞতা বিনিময় দুই দেশের রাজনৈতিক পারস্পরিক আস্থা জোরদার করবে, উন্নয়ন কৌশলের সমন্বয় বাড়াবে এবং উভয় দেশকে আধুনিকায়নের পথে একসঙ্গে এগিয়ে যেতে সহায়তা করবে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিয়ে তুরস্কের গ্র্যান্ড ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির ডেপুটি স্পিকার জালাল আদন বলেন, ‘এ গ্রন্থের পঞ্চম খণ্ড চীনের নীতিগত দিকনির্দেশনা এবং বৈশ্বিক বিষয়াবলিতে দেশটির কৌশলগত চিন্তাভাবনা বোঝার জন্য একটি মূল্যবান তথ্যসূত্র।‘
তুরস্কের সংস্কৃতি ও পর্যটন উপমন্ত্রী গোকান ইয়াজগি বলেন, ‘গ্রন্থটি পদ্ধতিগতভাবে ব্যাখ্যা করেছে কীভাবে চীনের কমিউনিস্ট পার্টি জনকেন্দ্রিক উন্নয়ন দর্শন অনুসরণ করে টেকসই অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন অর্জন করেছে এবং দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রেখেছে।‘ তার মতে, এই অভিজ্ঞতা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বিশেষ করে তুরস্কের জন্য ইতিবাচক অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করবে।
অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে আয়োজন করে চীনের রাষ্ট্রীয় পরিষদের তথ্য কার্যালয়, চায়না ইন্টারন্যাশনাল কমিউনিকেশনস গ্রুপ এবং তুরস্কে চীনা দূতাবাস। এতে দুই দেশের প্রকাশনা শিল্প, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, গণমাধ্যম এবং বিভিন্ন খাতের ২০০ জনের বেশি প্রতিনিধি অংশ নেন।
সিএমজি বাংলা