জুন ২৩, সিএমজি বাংলা ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমিয়ে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নতুন করে শুরু হওয়া সংলাপকে স্বাগত জানিয়েছে চীন। বেইজিং বলছে, এই আলোচনা শুধু দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নেই নয়, গোটা অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার পথও সুগম করতে পারে।
সোমবার ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের উপসচিব কাদির নিজামিপুরের সঙ্গে বৈঠকে এসব কথা বলেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই।
ওয়াং ই বলেন, চীন সবসময় সংলাপ ও শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে। ইরানের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও জাতীয় মর্যাদা রক্ষার প্রচেষ্টাকে বেইজিং সমর্থন করে। একই সঙ্গে উপসাগরীয় ও অন্যান্য আঞ্চলিক দেশের সঙ্গে তেহরানের সম্পর্ক উন্নয়নের উদ্যোগকেও ইতিবাচক হিসেবে দেখছে চীন।
তিনি আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে চীন ভবিষ্যতেও গঠনমূলক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে।
চীন-ইরান সম্পর্ক প্রসঙ্গে ওয়াং ই বলেন, দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারত্ব আরও গভীর করতে আগ্রহী বেইজিং। এ লক্ষ্য অর্জনে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ বৃদ্ধি, পারস্পরিক রাজনৈতিক আস্থা জোরদার এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।
কাদির নিজামিপুর মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি এবং ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংলাপের অগ্রগতি সম্পর্কে চীনা পক্ষকে অবহিত করেন। তিনি বলেন, চলমান সমঝোতা কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে চীন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে ইরান বিশ্বাস করে।
তিনি আরও বলেন, চীনের সঙ্গে সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় তেহরান এবং আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বিভিন্ন ইস্যুতে বেইজিংয়ের ইতিবাচক ভূমিকার উচ্চ প্রশংসা করে। একই সঙ্গে ‘এক-চীন’ নীতির প্রতি ইরানের দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।
ওয়াং ই ও কাদির নিজামিপুর দুজনই নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ১৬তম ব্রিকস জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের বৈঠকে অংশ নিতে ভারত সফরে রয়েছেন।
নাহার/জেনিফার
তথ্য ও ছবি- সিসিটিভি