Wednesday, April 22, 2026
Live

এআই কাজে লাগিয়ে দক্ষ জনশক্তির সম্ভাবনা বাংলাদেশেও: কর্মশালায় চীনা অধ্যাপক

এআই কাজে লাগিয়ে দক্ষ জনশক্তির সম্ভাবনা বাংলাদেশেও: কর্মশালায় চীনা অধ্যাপক

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-নির্ভর নতুন বিশ্বে দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে জোর দিচ্ছে চীন। এ বিষয়ে চীনে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ বিষয়ে সংস্কার চালাচ্ছেন দেশটির বিশেষজ্ঞরা। এ নিয়ে বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট-আইইআরে হয়ে গেল এক কর্মশালা। যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যুগে দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং চীন থেকে কীভাবে এ বিষয়ে শিক্ষা নেওয়া যায় এ প্রসঙ্গে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চায়না নরমাল ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক ডক্টর চেং লি। আরও ছিলেন ঢাবির আইইআরের অধ্যাপক ফজলুর রহমানসহ শিক্ষকমণ্ডলী।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা গবেষণা ইনস্টিটিউটের শহীদ সাদাত আলী কনফারেন্স কক্ষে সকাল সাড়ে ১০টায় এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। এর বিষয়বস্তু ছিল ’কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে দক্ষ কর্মশক্তি নির্মাণ: চীনের বৃত্তিমূলক শিক্ষা সংস্কার এবং তার শিক্ষা’। এতে অংশ নেন ঢাবির আইইআরের শিক্ষার্থীরাও। সেন্টার ফর চায়না স্টাডিজ এবং শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট এ কর্মশালার আয়োজক ছিল।

এই চ্যালেঞ্জিং সময়ে বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা, বিশেষ করে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা কীভাবে পরিবর্তিত হওয়া উচিত, এ নিয়ে শুরুতে বক্তব্য রাখেন ডক্টর চেং লি। তিনি তুলে ধরেন কীভাবে কারিগরি পাঠ্যক্রমের মাধ্যমে এগিয়ে যাচ্ছে চীনের শিক্ষাব্যবস্থা এবং পরবর্তীতে কর্মক্ষেত্রেও তারা কীভাবে দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন।

চীনে বর্তমানে ১১ হাজারের বেশি ভোকেশনাল প্রতিষ্ঠান ও প্রায় তিন কোটি ৫০ লাখ শিক্ষার্থী রয়েছেন। আধুনিক শিল্পে নতুন নিয়োগপ্রাপ্তদের ৭০ শতাংশের বেশি এই খাত থেকে আসেন বলেও জানান চায়না নরমাল ইউনিভার্সিটির এই সহযোগী অধ্যাপক। বাংলাদেশে ৭ কোটির বেশি শ্রমশক্তি থাকলেও তরুণ বেকারত্ব ও দক্ষতার ঘাটতিকে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন তিনি।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে নতুন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় চীন ‘এআই শিক্ষা’ কর্মপরিকল্পনা চালু করেছে। এর আওতায় কারিগরি শিক্ষায় নতুন পাঠ্যক্রম চালু, পুরনো পাঠ্যক্রম হালনাগাদ এবং কিছু অপ্রয়োজনীয় বিষয় বাতিল করা হচ্ছে চীনে। ড. চেং বলেন, এআইভিত্তিক শিক্ষণ পদ্ধতি, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি প্রশিক্ষণ এবং স্মার্ট শ্রেণিকক্ষ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে চীনে। এ থেকে চীন সুফল পেয়েছে। চীনের দেখাদেখি বাংলাদেশেও কারিগরি শিক্ষাব্যবস্থায় জোর দিলে কর্মসংস্থানের চাকা ঘুরে যেতে বলে মনে করেন তিনি।

এক ঘণ্টার কর্মশালার সবশেষে ছিল প্রশ্নোত্তর পর্ব। অনুষ্ঠান শেষে ডক্টর চেং লির হাতে তুলে দেওয়া হয় উপহার।

লুৎফর/সাকিব/ফয়সল

Rate This Article

How would you rate this article?

মাহফুজ রহমান

মাহফুজ রহমান

ডেস্ক সম্পাদক

৫ বছর ধরে সাংবাদিকতা ও লেখালেখি করছেন।

Our Editorial Standards

We are committed to providing accurate, well-researched, and trustworthy content.

Fact-Checked

This article has been thoroughly fact-checked by our editorial team.

Expert Review

Reviewed by subject matter experts for accuracy and completeness.

Regularly Updated

We regularly update our content to ensure it remains current.

Unbiased Coverage

We strive to present balanced information.