দেশের অন্যতম অগ্রবর্তী বিশ্ববিদ্যালয় হবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, বলেছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য প্রফেসর ড. হারুন-অর-রশিদ। তিনি আরো বলেন, “স্বল্প সময়ের পরিসরে দেশের অন্যতম অগ্রবর্তী বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। এটি স্বচ্ছতা, পরিচ্ছন্নতা ও জবাবদিহিতায় অন্যান্য বিশ^বিদ্যালয়ের কাছে অনুকরণীয় হবে বলে আমার প্রত্যাশা। সবাই যেন গর্ব করে বলতে পারে আমরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্য।”
৫ মার্চ ২০২১ (শুক্রবার) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারি এবং শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি বিদায়ী শুভেচ্ছা বিনিময়কালে এসব কথা বলেন উপাচার্য। মতবিনিময় সভায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. মশিউর রহমান, স্নাততকোত্তর শিক্ষক প্রশিক্ষক ও গবেষণা কেন্দ্রের ডিন প্রফেসর ড. মো আনোয়ার হোসেন, স্নাতকপূর্ব স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. মো. নাসির উদ্দিন, কারিকুলাম ও উন্নয়ন কেন্দ্রের ডিন ড. মোহাম্মদ বিন কাশেম, কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর ড. মনিরুজ্জামান পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বদরুজ্জামান, জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক মো. ফয়জুল করিমসহ বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানগণ, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারি ও অধিভুক্ত কলেজের অধ্যক্ষসহ বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীরা ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।
উপাচার্য বলেন, “করোনার কারণে কয়েকমাস পিছিয়ে গেলেও নতুন প্রশাসন তা পুষিয়ে নিয়ে একাডেমিক কার্যক্রমকে আপ টু ডেট করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে আমি আশা করি। এক্ষেত্রে বিশেষ একাডেমি ক্যালেন্ডার প্রণয়নের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। বিগত ৮ বছরে সকলের সার্বিক প্রচেষ্টায় ও সহযোগিতায় জাতীয় বিশ^বিদ্যালয়ে যে উন্নয়ন ও ইমেজ পুনরুদ্ধার হয়েছে তাকে ধারণ করে আরও উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিতে হবে। আমার দৃঢ় বিশ্বাস, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন প্রশাসন এর অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখতে সক্ষম হবে।”