১ম-দ্বাদশ শ্রেণির নতুন শিক্ষাক্রমের বই ২০২৩ pdf downland [www.nctb.gov.bd]
স্কুল-কলেজের ১ম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির নতুন শিক্ষাক্রমের বই ২০২৩ (pdf) downland করা যাবে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)-এর ওয়েবসাইটে প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক স্কুল ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের কলেজ বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সব বিষয়ের বইয়ের pdf কপি আপলোড/প্রকাশ করা হয়েছে। চাইলে যে কেউ ডাউনলোড করে পড়তে পারবে।
২০২৩ সাল থেকে অর্থাৎ নতুন বছর থেকে দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষায় বড় ধরনের পরিবর্তনের সূচনা হয়েছে। নতুন শিক্ষাক্রমের মাধ্যমে পড়ানোর ধরন ও মূল্যায়নব্যবস্থা পাল্টে যাচ্ছে। একই সঙ্গে পাঠ্যবইও বদলে যাচ্ছে। আগামীকাল তিনটি শ্রেণিতে নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে। পরের বছর থেকে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য শ্রেণিতে এই ব্যবস্থা চালু হবে।
এনসিটিবির সূত্রে জানা গেছে, ১ জানুয়ারি ২০২৩ তারিখ থেকে প্রথম, ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়িত হবে। ২০২৪ সালে চালু হবে তৃতীয়, চতুর্থ, অষ্টম ও নবম শ্রেণিতে। ২০২৫ সালে চালু হবে পঞ্চম ও দশম শ্রেণিতে। উচ্চমাধ্যমিকের একাদশ শ্রেণিতে ২০২৬ সালে ও দ্বাদশ শ্রেণিতে ২০২৭ সালে চালুর মধ্য দিয়ে পুরোপুরিভাবে নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
নতুন শিক্ষাক্রমে প্রথাগত পরীক্ষার চেয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধারাবাহিক মূল্যায়ন (শিখনকালীন) বেশি হবে। তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত প্রথাগত কোনো পরীক্ষাই হবে না। সারা বছর ধরে চলা বিভিন্ন রকমের শিখন কার্যক্রমের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে। ৪র্থ থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত ৫টি বিষয়ের (বাংলা, ইংরেজি, গণিত, বিজ্ঞান ও সামাজিক বিজ্ঞান) কিছু অংশের মূল্যায়ন হবে শিখনকালীন, বাকি অংশের মূল্যায়ন হবে সামষ্টিকভাবে। অবশিষ্ট ৫টি বিষয়ের পুরোটাই মূল্যায়ন হবে শিখনকালীন।
তবে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে গিয়ে সামষ্টিক মূল্যায়ন বেশি হবে (৭০ শতাংশ সামষ্টিক ও ৩০ শতাংশ শিখনকালীন)। সামষ্টিক মূল্যায়নও এখনকার মতো শুধু কাগজ-কলমনির্ভর পরীক্ষা হবে না। অ্যাসাইনমেন্ট, উপস্থাপন, যোগাযোগ, হাতে-কলমের কাজ ইত্যাদি বহুমুখী পদ্ধতি ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে। এখনকার মতো জিপিএভিত্তিক ফলাফলও প্রকাশ করা হবে না। তিনটি ধাপে ফলাফল প্রকাশ করা হবে। এর মধ্যে প্রথম স্তরটিকে বলা হবে পারদর্শিতার প্রারম্ভিক স্তর। দ্বিতীয় স্তরটি বলা হবে অন্তর্বর্তী বা মাধ্যমিক স্তর। আর সর্বশেষ, অর্থাৎ সবচেয়ে ভালো স্তরটিকে বলা হবে পারদর্শী স্তর।
নতুন পদ্ধতিতে এখনকার মতো কাঠামোবদ্ধ প্রশ্নও থাকবে না, এমনকি এখন যেভাবে এমসিকিউ করা হয়, তা-ও থাকবে না। বছরজুড়েই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিখনকালীন মূল্যায়ন চলতে থাকবে।
এছাড়া, যখন নবম শ্রেণিতে নতুন শিক্ষাক্রমের বাস্তবায়ন শুরু হবে, তখন এখনকার বিভাগ বিভাজন থাকবে না, অর্থাৎ এখন যেমন অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীকে অভিন্ন বিষয় পড়ে নবম শ্রেণিতে গিয়ে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ভাগ করা হয়, সেটি হবে না। দশম শ্রেণি পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীকে অভিন্ন বিষয় পড়তে হবে এবং উচ্চমাধ্যমিকে গিয়ে বিভাগ বিভাজন হবে।
নতুন শিক্ষাক্রমের আলোকে বইয়ের বিষয়বস্তু, বিন্যাসসহ সব ক্ষেত্রেই আনা হচ্ছে বড় রকমের পরিবর্তন। প্রথম, ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা আজ বছরের প্রথম দিনে নতুন শিক্ষাক্রমের আলোকে পাঠ্যবই হাতে পাবে। ইতিমধ্যে নতুন শিক্ষাক্রমের আলোকে পাঠ্যবইও প্রস্তুত করা হয়েছে। নতুন শিক্ষাক্রমের আলোকে পর্যায়ক্রমে অন্যান্য শ্রেণির শিক্ষার্থীরা নতুন বই পাবে।
নতুন শিক্ষাক্রমের বই ২০২৩ : ২০২৩ শিক্ষাবর্ষের প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক স্তরের ১ম থেকে ৫ম শ্রেণির বই ডাউনলোড / nctb text book 2023 pdf download / NCTB text book class 1 to 12 pdf