চাকরির উদ্দেশ্যে দালাল ছাড়াই সরকারিভাবে বিদেশ যেতে আগ্রহীদের নিবন্ধন প্রক্রিয়া (দ্বিতীয় পর্যায়ে) ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখ থেকে শুরু হচ্ছে।
দেশের ৬১ জেলায় আগ্রহী দক্ষ, স্বল্পদক্ষ, অদক্ষ ও পেশাজীবী নারী-পুরুষ উভয়ই দক্ষ নিবন্ধন করতে পারবেন। আগ্রহীরা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে (বিকাশ/নগদ/সিওরক্যাশ/রকেট) ২০০টাকা পাঠিয়ে এ নিবন্ধন সম্পন্ন করতে পারবেন।
জনশক্তি কর্মসংস্থান ও পরিসংখ্যান ব্যুরো (BMET) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী প্রতি বছর প্রত্যেক উপজেলা থেকে ১,০০০ কর্মী বিদেশ পাঠানোর কথা। সে অনুযায়ী জনশক্তি কর্মসংস্থান ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (BMET) কেন্দ্রীয় ডাটাব্যাংকে এ নিবন্ধন কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। রেজিস্ট্রেশন একটি চলমান প্রক্রিয়া। যে কোনো সময় সংশ্লিষ্ট জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস কিংবা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হতে সম্পন্ন করা যাবে। এ রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ হবে দুই বছর। তাই এ সময়ের মধ্যে কোনো যোগ্যতা বা অভিজ্ঞতা অর্জিত হলে তা ডাটাব্যাংকে সংযোজনের সুযোগ রয়েছে। বৈদেশিক কর্মসংস্থানের জন্য যোগ্যতা অনুযায়ী কর্মী নির্বাচিত করা হবে।
যোগ্যতা : নিবন্ধনকারী কর্মীর বয়স অবশ্যই ১৮ বছরের উপরে হতে হবে। তবে মধ্যপ্রাচ্যে গমনেচ্ছু নারী কর্মীদের বয়সসীমা ২৫-৪৫ বছর। গমনেচ্ছু কর্মীদের কমপক্ষে ছয় মাসের বৈধ পাসপোর্ট এবং রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত যোগাযোগের জন্য নিজস্ব মোবাইল থাকতে হবে। রেজিস্ট্রেশনে আগ্রহী নারী-পুরুষ কর্মীদের লিখতে ও পড়তে জানতে হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ডাটাব্যাংকে নিবন্ধন কোনোভাবেই বিদেশে চাকরি প্রদানের নিশ্চয়তা বহন করে না। বিদেশ গমনেচ্ছু কর্মীদের বৈদেশিক শ্রমবাজারের চাহিদা মোতাবেক রিক্রুটিং এজেন্সি বা নিয়োগকর্তার কাছে উপস্থাপন করা হবে। তারাই পছন্দ করবেন নিবন্ধনকারীদের মধ্য থেকে।
এর আগে, গত বছরের (২০১৯) ১ আগস্ট ঢাকা জেলায় নিবন্ধন শুরু হয়। পরে ২৭ অক্টোবর শুরু হয় নারায়ণগঞ্জ এবং গাজীপুর জেলার নিবন্ধন। এবার দ্বিতীয় পর্যায়ে দেশের বাকি ৬১ জেলার বিদেশ যেতে আগ্রহীদের নিবন্ধন শুরু হচ্ছে।