ফেব্রুয়ারি ১৮, সিএমজি বাংলা ডেস্ক: চীনা সংস্কৃতিতে ঘোড়া শক্তি ও অগ্রগতির প্রতীক, যা ফিলিস্তিনি জনগণের সংগ্রাম ও সাহসের সাথে গভীরভাবে মিলে যায় বলে মন্তব্য করেছেন বেইজিংয়ে নিযুক্ত ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত জাওয়াদ মোহাম্মদ কুতিশ আওয়াদ।
চীনা নববর্ষ উপলক্ষে চায়না মিডিয়া গ্রুপকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।
জাওয়াদ বলেন, বসন্ত উৎসব কেবল একটি ঐতিহ্য নয়, এটি সামাজিক সংহতি এবং পারিবারিক মূল্যবোধের প্রতিফলন। এই মূল্যবোধগুলো ফিলিস্তিনিদের কাছেও অত্যন্ত শ্রদ্ধার। ঘোড়া যেমন সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা দেয়, ফিলিস্তিনি ও আরব সংস্কৃতিও তেমনি প্রতিকূলতার মাঝে টিকে থাকা এবং দায়িত্বশীল মনোভাব নিয়ে নতুন ধাপে এগিয়ে যাওয়ার শিক্ষা দেয়।
রাষ্ট্রদূত গত এক বছরে ফিলিস্তিন ও চীনের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্কের অভাবনীয় অগ্রগতির প্রশংসা করেন। বিশেষ করে গাজার পুনর্গঠন প্রচেষ্টায় চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের ঘোষিত ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের আর্থিক সহায়তার কথা তিনি কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন।
২০২৬ সালে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করে রাষ্ট্রদূত বলেন, উচ্চমানের ও স্থিতিশীল উন্নয়নের লক্ষ্যে চীনের নতুন কৌশলগত দিকনির্দেশনা দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও বিস্তৃত করবে।
জেনিফার/শুভ
তথ্য ও ছবি: সিসিটিভি
Advertisement