Intro:
স্বাদের লাল চেরি, রসালো ব্লুবেরি কিংবা বেলজিয়ামের আপেলের সমারোহ। বৈশ্বিক ফল বাণিজ্যের নতুন কেন্দ্রবিন্দু এখন চীন। আর সেই বিশাল বাজার ধরতে সম্প্রতি চীনের শাংহাইয়ে হয়ে গেল বিশ্বজুড়ে ফল উৎপাদকদের মিলনমেলা। চলুন দেখে আসি লুৎফর কবিরের প্রতিবেদনে।
PKG:
বিশ্বের ৬০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলের শতাধিক ফল উৎপাদক প্রতিষ্ঠান সম্প্রতি এক ছাতার নিচে জড়ো হয়েছিল ‘চীন আন্তর্জাতিক ফল প্রদর্শনীতে’। শাংহাই নিউ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো সেন্টারে আয়োজিত তিন দিনের এই প্রদর্শনীতে ৩শো’র বেশি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। লক্ষ্য—চীনের দ্রুত বর্ধনশীল ভোক্তা বাজারের বড় অংশে নিজেদের তুলে ধরা।
আপস…
চীনা ক্রেতাদের রুচি ও চাহিদাকে প্রাধান্য দিয়ে নিজেদের ব্র্যান্ড সাজাচ্ছে বিদেশি প্রতিষ্ঠান। এই যেমন, পেরুর ব্লুবেরি চাষিরা তিনশোর বেশি নামের মধ্যে বেছে নিয়েছেন চীনা ভাষার বিশেষ ব্র্যান্ড। গেল মৌসুমে পেরুর রপ্তানির ৮০ শতাংশের বেশি ঢুকেছে চীনে। এ বিষয়ে চিলির চেরি কমিটির নির্বাহী পরিচালক ক্লাউডিয়া সোলার জানান, তাদের মোট রপ্তানির প্রায় ৮৭ শতাংশের গন্তব্য ছিল চীনের বাজার, যেখানে ক্রেতারা পণ্যের সতেজতা এবং মানের বিষয়ে দিয়েছেন জোর।
সট: বার্নার্দো মুনোজ, বাণিজ্যিক উপদেষ্টা, শাংহাই পেরুর কনস্যুলেট
< আমরা বিভিন্ন ব্র্যান্ড ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করে শিখছি, কীভাবে নিজস্ব ব্র্যান্ড ও পণ্যকে চীনের মানসিকতার সাথে খাপ খাইয়ে নিতে পারি। আমরা ব্যবসা করতে চাইলে বিশেষজ্ঞদের নিয়ে কাজ করতে হবে, কারণ চীনারা সেরা মানটাই চান। >
পিছিয়ে নেই অস্ট্রেলিয়ার ফল উৎপাদকরাও। এবার দশটিরও বেশি শিল্প সমিতি একত্রিত হয়ে চীনে প্রথম যৌথ সফর করেছে। শাংহাই ছাড়াও তারা ছিংতাও, ছোংছিং ও ছাংশার মতো শহরে বিতরণ ব্যবস্থা ঘুরে দেখেন।
সট: জন ম্যাডিউ, জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, অস্ট্রেলিয়ার বাণিজ্য ও বিনিয়োগ কমিশন
< আমি এইমাত্র সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলছিলাম এবং তিনি বলছিলেন যে, দ্বিতীয় স্তরের শহরগুলো দেখে তিনি কতটা মুগ্ধ হয়েছেন। সেখানকার বিতরণ ব্যবস্থার আধুনিকতা এবং ভোক্তারা ভিন্ন ধরনের পণ্য খুঁজছেন।এই ক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ার ভালো সম্ভাবনা আছে। >
চীন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় ইতোমধ্যে ৬৩ দেশ ও অঞ্চলের প্রায় ৬০ ধরনের কাঁচা ফল পরিদর্শন ও কোয়ারেন্টাইন ছাড়পত্র পেয়েছে। এর ফলে চিলির চেরি, ভিয়েতনামি জাম্বুরা, বেলজিয়ামের আপেল এবং এশিয়ার কাঁঠাল সহজেই ঢুকছে চীনা বাজারে।
আপস…
চীনা আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য চেম্বারের সভাপতি ছাও তেরং জানান, আমদানিকৃত ফলের বাজার এখন আর গণ্ডির মধ্যে নেই। ভালো মানের এসব ফলের চাহিদা বাড়ায় বিশ্বজুড়ে ফল চাষিদের জন্য তৈরি করেছে নতুন সুযোগ।
পে-অফ…।
লুতফর/নাহার