সেপ্টেম্বর ১: ‘সি চিন পিংয়ের দেশ পরিচালনা’ বই নিয়ে আয়োজিত বিনিময় অধিবেশনের বিশেষ অনুষ্ঠান ‘চীনের শাসনব্যবস্থা বোঝা’ সিজিটিএনের রুশ ভাষার চ্যানেল এবং কিরগিজস্তানের জাতীয় টেলিভিশন ও সম্প্রচার সংস্থায় প্রচারিত হয়েছে। সম্প্রতি চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের ২০২৬ সালের শাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ এবং কিরগিজস্তান সফর উপলক্ষে আয়োজিত হয় ওই বিশেষ অনুষ্ঠান।
‘চীনের শাসনব্যবস্থা বোঝা’ বিনিময় অধিবেশনে কিরগিজস্তানের রাজ্য সচিব আর্সলান কোইচিয়েভ, কিরগিজস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট রোজা ওতুনবায়েভাসহ বিশিষ্ট অতিথিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়। তারা ‘সি চিন পিংয়ের দেশ পরিচালনা’ বইয়ের অনুবাদকদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করেন এবং বইগুলো পড়ার উপলব্ধি তুলে ধরেন।
আলোচনায় সি চিন পিংয়ের দেশ পরিচালনা-সংক্রান্ত চিন্তাধারার ঐতিহাসিক ভিত্তি ও বাস্তব তাৎপর্যের পাশাপাশি বৈশ্বিক বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় চীনের শাসনব্যবস্থার অভিজ্ঞতাও তুলে ধরা হয়।
অধিবেশনে কোইচিয়েভ বলেন, সি চিন পিংয়ের ধারাবাহিক গুরুত্বপূর্ণ চিন্তাধারার সমন্বিত ব্যবস্থা চীনের দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি তৈরি করেছে। চীনের অর্থনীতির দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ব্যাপক মনোযোগ আকর্ষণ করেছে বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, চীনের দেশ পরিচালনার সফল অভিজ্ঞতা কিরগিজস্তানের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ তাৎপর্য বহন করে। বর্তমানে চীনা জাতির মহান পুনরুজ্জীবনের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে চীন। এই প্রক্রিয়া কিরগিজস্তানের উন্নয়নেও শক্তিশালী প্রাণশক্তি যোগ করবে বলে মনে করেন কোইচিয়েভ।
ওতুনবায়েভা বলেন, প্রায় ১০ বছর আগে তিনিই ‘সি চিন পিংয়ের দেশ পরিচালনা’ বইগুলো কিরগিজ ভাষায় অনুবাদের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের উত্থাপিত ‘ছোট হোক বা বড়, সব দেশ ও জাতি সমান’—এই ধারণা তার মনে গভীর ছাপ ফেলেছে বলে জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, কিরগিজস্তান ‘বৈচিত্র্যের মধ্যে সম্প্রীতি’র ধারণাকে সমর্থন করে। বিভিন্ন দেশের উচিত নিজেদের জাতীয় বাস্তবতা ও পরিস্থিতি অনুযায়ী উন্নয়নের পথ বেছে নেওয়া।
ওতুনবায়েভার মতে, মানবজাতির অভিন্ন ভবিষ্যৎসম্বলিত সম্প্রদায় গড়ে তোলার ধারণাটি সময়ের বিকাশ ও বিশ্বের অগ্রগতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং এটি ভবিষ্যতের একটি প্রয়োজনীয় পথ।
(সুবর্ণা/ফয়সল/রুবি)