চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের মধ্যে আরও বেশি সফর ও পারস্পরিক যোগাযোগে বরাবরের মতোই সমর্থন দেওয়ার কথা জানিয়েছে বেইজিং। বুধবার দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র কুও চিয়াখুন এ কথা বলেন।
নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে কুও চিয়াখুন জানান, সম্প্রতি চীনের আমন্ত্রণে ২৭ বছর পর দেশটি সফর করেছেন মার্কিন নাগরিক রোনাল্ড সাকোলস্কি।
সফরকালে সাকোলস্কি ইনার মঙ্গোলিয়া পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি জাতীয় পর্যায়ের মডেল ইয়িন ইউচেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বহু বছর আগে তার অর্থায়নে গড়ে ওঠা একটি বনও তিনি পুনরায় পরিদর্শন করেন এবং ইয়িন ইউচেনের সঙ্গে সেখানে বন্ধুত্বের প্রতীক হিসেবে একটি গাছ রোপণ করেন।
এ ছাড়া সাকোলস্কি হ্যনান প্রদেশের লুওইয়াংয়ের সেই স্কুলেও যান, যেখানে তিনি একসময় শিক্ষকতা করেছিলেন। সেখানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সফরের অংশ হিসেবে তিনি বেইজিংও পরিদর্শন করেন।
কুও চিয়াখুন বলেন, পুরো সফরজুড়ে সাকোলস্কি চীনের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনগুলো সরাসরি প্রত্যক্ষ করেছেন এবং আবারও চীনা জনগণের উষ্ণতা ও আতিথেয়তা অনুভব করেছেন।
গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সাকোলস্কি বলেন, তিনি ও ইয়িন ইউচেন দেখিয়েছেন যে, সংস্কৃতির ব্যবধান দূর করা এবং সীমারেখা ভেঙে দেওয়া সম্ভব। তিনি বলেন, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ উভয়েই শান্তিতে বসবাস করতে চায়।
কুও চিয়াখুন বলেন, সাকোলস্কির আন্তরিক কথাগুলো অনেক মানুষকে স্পর্শ করেছে এবং তা দুই দেশের জনগণের অভিন্ন আকাঙ্ক্ষাকে তুলে ধরেছে।
তিনি আরও বলেন, চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের আশা জনগণের মাঝে নিহিত এবং এ সম্পর্কের ভিত্তি রয়েছে তৃণমূল পর্যায়ের যোগাযোগে। দুই দেশের জনগণ একসঙ্গে গড়ে তোলা অসংখ্য অনুপ্রেরণাদায়ক গল্পই জনগণের মধ্যে বন্ধুত্বের উজ্জ্বল উদাহরণ।
সূত্র: সিএমজি