ফেব্রুয়ারি ৫, সিএমজি বাংলা ডেস্ক: উদ্ভাবন ও টেকসই উন্নয়নকে ঘিরে বৈশ্বিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে চীন ও উরুগুয়ে পারস্পরিক উন্নয়নের নতুন সুযোগ অনুসন্ধান করছে, যা বৃহত্তর দক্ষিণ–দক্ষিণ সহযোগিতাকে শক্তিশালী করতে পারে। সম্প্রতি এমন মন্তব্য করেছেন উরুগুয়ে প্রজাতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবিদ হেক্টর ক্যানসেলা।
চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের আমন্ত্রণে উরুগুয়ের প্রেসিডেন্ট ইয়ামান্দু ওরসি ১ থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চীনে রাষ্ট্রীয় সফর করছেন। সপ্তাহব্যাপী এই সফরের মূল লক্ষ্য বাণিজ্য ও কৃষিখাতে সহযোগিতা আরও গভীর করা, বিশেষ করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিভিত্তিক অংশীদারত্ব জোরদার করা।
চায়না গ্লোবাল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক (সিজিটিএন)-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ক্যানসেলা বলেন, দুই দেশের ক্রমবর্ধমান সম্পর্কের কেন্দ্রে রয়েছে উদ্ভাবন, শিক্ষা ও প্রকৌশল সহযোগিতা।
তার ভাষায়, তুলনামূলকভাবে ছোট দেশ হওয়ায় উরুগুয়ের জন্য প্রযুক্তিগতভাবে অগ্রসর দেশগুলো, বিশেষ করে চীনের সঙ্গে দৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তোলা গুরুত্বপূর্ণ। তিনি জোর দিয়ে বলেন, দ্বিপক্ষীয় বৈজ্ঞানিক সহযোগিতা কেবল জ্ঞান বিনিময়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং তা সমান সম্পৃক্ততা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে থাকতে হবে। লাতিন আমেরিকা অঞ্চলে উদ্ভাবন ও শিক্ষার প্রসারে এই মনোভাব অপরিহার্য বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ওরসি সতর্ক করে বলেন, কেবল অন্য দেশের প্রযুক্তি গ্রহণই যথেষ্ট নয়; বরং এমন প্রযুক্তি প্রয়োজন যা সংশ্লিষ্ট দেশের জনগণের চাহিদা পূরণ করবে। দক্ষিণ–দক্ষিণ সহযোগিতা সেই লক্ষ্য অর্জনের প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে পারে।
জেনিফার/ফয়সল
তথ্য ও ছবি: সিসিটিভি
Advertisement