দক্ষিণ চীনে ধেয়ে আসছে চলতি বছরের ১৯তম শক্তিশালী টাইফুন ‘নারা’। এর প্রভাবে অঞ্চলটিতে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় কুয়াংতোং, কুয়াংসি এবং হাইনান প্রদেশে চতুর্থ স্তরের জরুরি সতর্কতা জারি করেছে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, টাইফুনের প্রভাবে এ অঞ্চলে কয়েকটি নদীর পানির স্তর উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পেতে পারে। এর মধ্যে ইউচিয়াং নদীর শাখানদী চুওচিয়াং ও মিংচিয়াং নদীসহ বেশ কিছু ছোট এবং মাঝারি নদীর পানি বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে।
সম্ভাব্য বিপর্যয় মোকাবিলায় স্থানীয় পানিসম্পদ বিভাগগুলোকে টাইফুনের গতিবিধি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বৃষ্টিপাত ও নদীর পানি প্রবাহের পূর্বাভাস প্রদানে নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি পানি সম্পদ প্রকল্পগুলোর সুচারু পরিচালনা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।
পাহাড়ি ঢল এবং ছোট ও মাঝারি নদীর বন্যা রোধ, বন্যা মৌসুমে জলাধারের নিরাপত্তা এবং পর্যটক ও নির্মাণ শ্রমিকদের সুরক্ষায় যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। একই সাথে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার তালিকা নিয়মিত হালনাগাদ করে বিপজ্জনক স্থান থেকে দ্রুত বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে এবং জনসাধারণের জীবন ও সম্পত্তি সুরক্ষায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে।
পরিস্থিতি মোকাবিলায় শনিবার চীনের স্টেট ফ্লাড কন্ট্রোল অ্যান্ড ড্রাউট রিলিফ হেডকোয়ার্টার্স এবং জরুরি ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় যৌথভাবে ফুচিয়ান প্রদেশেও টাইফুন ও বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য চতুর্থ স্তরের জরুরি সতর্কতা জারি করেছে। উল্লেখ্য, চীনে চার স্তরের বন্যা নিয়ন্ত্রণ জরুরি ব্যবস্থা রয়েছে, যার মধ্যে প্রথম স্তরটি সবচেয়ে বিপজ্জনক পরিস্থিতি হিসেবে বিবেচিত।
সূত্র: সিএমজি বাংলা