Sunday, August 30, 2026
Live

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক জোরদারে ভাষা ও সংস্কৃতি বিনিময়ে গুরুত্বারোপ

সিএমজি
সিএমজি বাংলা বিভাগ
Published: Updated: ★ 4.6 (5)
বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক জোরদারে ভাষা ও সংস্কৃতি বিনিময়ে গুরুত্বারোপ

বাংলাদেশ ও চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদারে ভাষা ও সংস্কৃতি বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

সোমবার ঢাবিতে অধ্যয়নরত চীনা শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ গুরুত্বারোপ করেন। এসময় আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আবছার কামালসহ ইনস্টিটিউটের অন্য শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।

উপাচার্য বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের সম্পর্ক অত্যন্ত চমৎকার ও বন্ধুত্বপূর্ণ। চীন বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ উন্নয়ন অংশীদার। দুই দেশের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, বোঝাপড়া ও বন্ধুত্ব আরও গভীর করতে ভাষা শিক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

ওবায়দুল ইসলাম জানান, চীনের শিক্ষার্থীরা যাতে ঢাবিতে এসে বাংলা ভাষা ও বাংলাদেশের সংস্কৃতি সম্পর্কে জানতে পারে, সে সুযোগ আরও সম্প্রসারণ করা হবে। ভাষা ও সংস্কৃতির বিনিময় দুই দেশের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করবে।

উপাচার্য আরও বলেন, তৃতীয় ভাষা শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ঢাবিতে বিদেশি ভাষা শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। চীনা, জাপানি, কোরিয়ানসহ বিভিন্ন ভাষা শিক্ষার ক্ষেত্রে আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কাজ করবে।

আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের সুযোগ-সুবিধার বিষয়ে উপাচার্য জানান, ঢাবিতে অধ্যয়ন ও অবস্থানের ক্ষেত্রে তাদের প্রয়োজনীয় সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। খাবার, ওয়াই-ফাই, আবাসনসহ দৈনন্দিন বিভিন্ন সুবিধা আরও উন্নত করার বিষয়েও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চীনা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, যে দেশে যাওয়া হবে, সে দেশের ভাষা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জানা প্রয়োজন। ভাষা জানলে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ সহজ হয় এবং পারস্পরিক সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাবোধ তৈরি হয়। চীনা শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশে এসে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জানছেন, এটি দুই দেশের মানুষের সম্পর্ক আরও গভীর করার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

এসময় চীনা শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের পড়াশোনার অভিজ্ঞতা, বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ও সমস্যার কথা উপাচার্যের কাছে তুলে ধরেন। শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে খাবারের নাম ও মূল্যসহ মেনু প্রদর্শন, ওয়াই-ফাই সুবিধা এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় সেবা নিশ্চিত করার বিষয়েও আলোচনা হয়। উপাচার্য বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।

আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের তথ্য অনুযায়ী, ঢাবিতে বাংলা ভাষা ও বাংলাদেশের সংস্কৃতি বিষয়ে পড়াশোনার প্রতি চীনা শিক্ষার্থীদের আগ্রহ বাড়ছে। ২০২৪ সালে চীনের দুটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মোট ১৫ শিক্ষার্থী বাংলা ভাষার বিশেষ কোর্সে অংশ নেন। ২০২৫ সালে তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অংশ নেন ১৯ জন। ২০২৬ সালে চারটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মোট ২৬ শিক্ষার্থী এ কোর্সে অংশ নিচ্ছেন।

অর্থাৎ, ২০২৪ সালের ১৫ শিক্ষার্থী থেকে ২০২৬ সালে এ সংখ্যা বেড়ে ২৬ জনে দাঁড়িয়েছে, যা প্রায় ৭৩ শতাংশ বৃদ্ধি। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, এ বৃদ্ধি বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ভাষা, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের প্রতি ক্রমবর্ধমান আগ্রহের প্রতিফলন।

সূত্র: সিএমজি

Rate This Article

4.6
out of 5
★★★★⯨
5 ratings

How would you rate this article?

সিএমজি

সিএমজি

বাংলা বিভাগ

চায়না মিডিয়া গ্রুপ (CMG) চীনের রাষ্ট্রীয় রেডিও ও টেলিভিশন সম্প্রচারকারী প্রধান কোম্পানি।

Featured Products

View All

Our Editorial Standards

We are committed to accurate, well-researched, and trustworthy journalism.

Fact-Checked

Every claim is verified by our editorial team before publication.

Expert Review

Content reviewed by subject matter experts for accuracy.

Regularly Updated

We update content to reflect the latest developments.

Unbiased Coverage

We present balanced perspectives and multiple viewpoints.