মে ২২, সিএমজি বাংলা ডেস্ক: সংঘাতে জড়িত সকল পক্ষকে আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার বাধ্যবাধকতা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ।
সশস্ত্র সংঘাতে বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা বিষয়ে নিরাপত্তা পরিষদের দিনব্যাপী উন্মুক্ত বিতর্ক চলাকালে এই আহ্বান জানানো হয়।
এই বার্ষিক বিতর্কে বুধবার নিরাপত্তা পরিষদকে জানানো হয়, সংঘাতের পক্ষগুলো বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার আইনি বাধ্যবাধকতা উপেক্ষা করায় সাধারণ মানুষ ক্রমাগত দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। তবে যুদ্ধের নিয়মকানুন মেনে চললে এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা গেলে ভিন্ন ফলাফল পাওয়া সম্ভব।
মানবিক বিষয় সমন্বয় কার্যালয়ের সংকট মোকাবিলা বিভাগের পরিচালক এডেম ওসোর্নু বলেন, ‘সশস্ত্র সংঘাতে বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা দেওয়া মানবতা এবং বেসামরিক সভ্যতার জন্য ন্যূনতম আবশ্যকীয় কাজ। এর গুরুত্ব কমানো যায় না। এই সিদ্ধান্তটিই আমাদের এখন নিতে হবে।‘
জাতিসংঘের তথ্যমতে, গত বছর ২০টি সশস্ত্র সংঘাতে ৩৭ হাজারের বেশি বেসামরিক নাগরিক নিহত হওয়ার ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। এর আগের বছর ২০২৪ সালে ১৪টি সশস্ত্র সংঘাতে ৩৬ হাজার বেসামরিক নাগরিকের মৃত্যুর ঘটনা নথিভুক্ত করা হয়।
বক্তব্য রাখতে গিয়ে আন্তর্জাতিক রেড ক্রস কমিটির সভাপতি মিরিয়ানা স্পোলজারিচ বলেন, ‘যুদ্ধক্ষেত্রগুলোতে যা দেখছি তা আইনসম্মত- আমরা আর এমন ভান করে থাকতে পারি না। ‘
জাতিসংঘে চীনের স্থায়ী প্রতিনিধি ফু ছোং বলেন, সশস্ত্র সংঘাতের সবচেয়ে বড় শিকার বেসামরিক নাগরিকরা। তিনি সংঘাতপূর্ণ এলাকাগুলোতে রাজনৈতিক সমাধানকে উৎসাহ প্রদান এবং নিরাপত্তার জন্য সহিংসতার হুমকি দূরীকরণের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক মানবিক আইন অনুযায়ী এটি এমন এক বাধ্যবাধকতা, যা সকল পক্ষকে অবশ্যই পালন করতে হবে এবং যেকোনো দ্বৈত নীতি বা পক্ষপাতমূলক প্রয়োগ অগ্রহণযোগ্য।
জেনিফার/ সাকিব
তথ্য ও ছবি: সিসিটিভি