ক্রীড়াঙ্গনে সুস্থ পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে এবং ভক্ত সংস্কৃতি বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে চীন। সম্প্রতি দেশটির জাতীয় তথ্য কাউন্সিলের সংবাদ সম্মেলনে ক্রীড়ামন্ত্রী কাও চিতান এই ঘোষণা দেন। আগামী ২০২৬-৩০ সালের ১৫তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ক্রীড়া খাতে দুর্নীতি, ম্যাচ ফিক্সিং ও অনলাইন সহিংসতা দূর করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। সম্মেলনে তিনি ২০৩০ সালের মধ্যে চীনকে সেরা ক্রীড়া শক্তিতে পরিণত করার রূপরেখাও তুলে ধরেন।
এই পাঁচ বছরে চীনের ক্রীড়া অর্থনীতির আকার ৭ ট্রিলিয়ন ইউয়ানে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ শুরু করেছে দেশটি। পাশাপাশি মাথাপিছু ক্রীড়াঙ্গনের আয়তন ৪ বর্গমিটারে বৃদ্ধি এবং নিয়মিত ব্যায়ামকারীর হার ৪০ শতাংশে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এর জন্য ৫ হাজারের বেশি ক্ষুদ্র স্পোর্টস পার্ক ও ফিটনেস সেন্টার নির্মাণ করা হবে।
ডাইভিং, টেবিল টেনিস ও ব্যাডমিন্টনের মতো ঐতিহ্যবাহী ৬টি খেলার পাশাপাশি ফুটবল, বাস্কেটবল ও ভলিবলের উন্নয়নে '৬৩৩' ফ্রেমওয়ার্কের মাধ্যমে অলিম্পিক প্রস্তুতির নতুন রূপরেখা ঘোষণা করেছে চীন।
প্রতিযোগিতার মান ও সহজলভ্যতা বাড়ানোর দিকে মূল নজর দেওয়া হবে। এছাড়া ১০০টি উন্নত মানের আউটডোর স্পোর্টস গন্তব্য গড়ে তোলা এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ভার্চুয়াল স্পোর্টস, স্মার্ট ভেন্যু ও পরিধানযোগ্য প্রযুক্তির ব্যবহার ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যও নির্ধারণ করা হয়েছে।
সূত্র: সিএমজি বাংলা