জুলাই ২৩: চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির পলিট ব্যুরোর সদস্য তথা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই আজ (বৃহস্পতিবার) সকালে ম্যানিলায় ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড এডওয়ার্ড স্যামুয়েল মিলিব্যান্ডের সঙ্গে এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন।
বৈঠকে ওয়াং ই নতুন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় মিলিব্যান্ডকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, বিশ্বের প্রধান দুই পরাশক্তি এবং জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হিসেবে চীন ও ব্রিটেনের সম্পর্ক কেবল দ্বিপাক্ষিক সীমানায় আবদ্ধ নয়, বরং এর রয়েছে সুদূরপ্রসারী বৈশ্বিক প্রভাব। নতুন ব্রিটিশ সরকার চীনের প্রতি তাদের নীতিতে ধারাবাহিকতা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, চীন তাকে গুরুত্বের সঙ্গে মূল্যায়ন করে। বেইজিং আশা প্রকাশ করে যে, ব্রিটেন দৃঢ়ভাবে এক-চীন নীতি মেনে চলবে, উভয় দেশের মধ্যকার রাজনৈতিক ভিত্তি রক্ষা করবে এবং ব্রিটেনে কর্মরত চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য একটি সমতাভিত্তিক, ন্যায্য ও বৈষম্যহীন ব্যবসায়িক পরিবেশ সুনিশ্চিত করবে।
ব্রিটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মিলিব্যান্ড তাঁর বক্তব্যে জানান, ব্রিটেনের নতুন সরকার চীনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেয়। তারা চীনের সঙ্গে একটি দীর্ঘমেয়াদী ও স্থিতিশীল সর্বাত্মক কৌশলগত অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার ধারা অব্যাহত রাখবে, যা উভয় দেশেরই কৌশলগত স্বার্থের অনুকূল।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, তাইওয়ান ইস্যুতে চীনের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পর থেকে ব্রিটেন যে নীতি অনুসরণ করে আসছে, তার কোনো পরিবর্তন হয়নি। ব্রিটেন চীনের সঙ্গে বিভিন্ন স্তরে দ্বিপাক্ষিক যোগাযোগ বৃদ্ধি করতে, জলবায়ু পরিবর্তনসহ নানাবিধ বৈশ্বিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা প্রসারিত করতে এবং বহুপাক্ষিক প্ল্যাটফর্মগুলোতে পারস্পরিক যোগাযোগ সুদৃঢ় করার মাধ্যমে ব্রিটেন-চীন সম্পর্কের একটি দীর্ঘমেয়াদী, সুষ্ঠু ও স্থিতিশীল উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আগ্রহী।
সূত্র: সিএমজি