কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫১তম বার্ষিকী উপলক্ষে ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে চীন ও ফিলিপাইন। দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক বোঝাপড়া জোরদারে অবদান রাখা ব্যক্তিদের সম্মাননা প্রদানের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক বিনিময় ছিল অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ।
রোববার আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে চীনের কুয়াংসি সং অ্যান্ড ড্যান্স থিয়েটারের শিল্পীরা ফিলিপাইনের হুয়াসিং আর্টস ট্রুপের শিল্পীদের সঙ্গে যৌথ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা করেন। আয়োজকরা বলেন, সংস্কৃতি দুই দেশের জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
ম্যানিলায় চীনা দূতাবাস এবং ফেডারেশন অব ফিলিপিনো চাইনিজ অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ফিলিপাইনের সরকারি কর্মকর্তা, কূটনীতিক, ব্যবসায়ী, শিক্ষাবিদ এবং ফিলিপিনো-চীনা সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
ফিলিপাইনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আন্ডারসেক্রেটারি মারিয়া আন্দ্রেলিতা অস্ট্রিয়া বলেন, চলতি বছরটি দুই দেশের সম্পর্কের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। তিনি উল্লেখ করেন, ফিলিপাইন ও চীন রাজনৈতিক সংলাপের গুরুত্বপূর্ণ চ্যানেলগুলো পুনরায় সক্রিয় করেছে এবং উভয় দেশ কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে মতপার্থক্য দূর করে বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণে কাজ করছে।
অনুষ্ঠানে ‘ফিলিপাইনস-চায়না আন্ডারস্ট্যান্ডিং’ উন্নয়নে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনজনকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
ফিলিপাইনে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত চিং ছুয়ান সম্মাননা প্রাপ্তদের অবদানের প্রশংসা করে বলেন, দুই দেশের সম্পর্কে ইতিবাচক দিকগুলোকে আরও গুরুত্ব দিতে হবে। তিনি জনগণের মধ্যে যোগাযোগ, সফর, সহযোগিতা, বন্ধুত্ব এবং ইতিবাচক গল্প বিনিময়ের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।
সাংস্কৃতিক পরিবেশনা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শেষ হয়। আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, সংস্কৃতি ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ ভবিষ্যতেও চীন-ফিলিপাইন বন্ধুত্বের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।
সূত্র: সিএমজি
China,