জুলাই ১৫: বৈশ্বিক সরবরাহ-শৃঙ্খলের নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও সুষ্ঠু পরিচালনা নিশ্চিত করা সকল দেশের দায়িত্ব। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন চিয়েন, আজ (বুধবার) বেইজিংয়ে, এক নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, চীন উচ্চ-পর্যায়ের উন্মুক্তকরণকে সম্প্রসারণ করবে; বিশ্বের জন্য উচ্চমানের পণ্য ও সহযোগিতার সুযোগ প্রদান অব্যাহত রাখবে; এবং অন্যান্য দেশের সাথে সংঘাতের পথ পরিত্যাগ করে, জয়-জয় নীতি অনুসরণ করে যাবে।
‘ফিন্যান্সিয়াল টাইমস’-সহ বিভিন্ন বিদেশি সংবাদ সংস্থা কর্তৃক প্রকাশিত সাম্প্রতিক তথ্যানুসারে, যদি যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ ২০৫০ সাল নাগাদ গুরুত্বপূর্ণ খাতে চীনের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে চায়, তাহলে আগামী ২৫ বছরে আরও ২৩.৬ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যায় করতে হবে। অল্প সময়ের মধ্যে চীনের বিকল্প ব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রায় অসম্ভব। এ প্রসঙ্গে মুখপাত্র বলেন, বর্তমানে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন সরবরাহ-শৃঙ্খল পরস্পরের সাথে গভীরভাবে যুক্ত হয়ে আছে। কৃত্রিমভাবে ‘বিচ্ছিন্নতা ও সরবরাহ-শৃঙ্খলে ব্যাঘাত’ সৃষ্টি করা, সংরক্ষণবাদী প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা, এবং জোরপূর্বক উত্পাদন ও সরবরাহ-শৃঙ্খল পুনর্গঠন করা, কেবল উচ্চ অর্থনৈতিক ব্যয়ই বহন করবে না, বরং বাজারের নিয়ম ও প্রাতিষ্ঠানিক সিদ্ধান্তকেও লঙ্ঘন করবে। আর, এর ফলে সকল পক্ষকেই ভোগান্তির শিকার হতে হবে।
সূত্র: সিএমজি