ইরানের সেতু, বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও অন্যান্য অবকাঠামোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর শনিবার সৌদি আরব, জর্ডান এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যান্য মিত্র দেশকেও লক্ষ্যবস্তু করেছে ইরান।
শনিবার কুয়েত টানা হামলার মুখে পড়ে। দেশটির সশস্ত্র বাহিনী জানিয়েছে যে তারা ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিহত করেছে এবং হামলার মোকাবিলা করতে গিয়ে কয়েকজন দমকলকর্মী ও তেল খাতের কর্মী আহতও হয়েছেন।
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী-আইআরজিসি দাবি করেছে যে, তারা কুয়েতের ক্যাম্প আরিফজানে যুক্তরাষ্ট্রের একটি সামরিক সহায়তা কেন্দ্রে আঘাত হানে এবং আলি আল সালেম বিমান ঘাঁটির একটি রাডার স্থাপনা ধ্বংস করেছে। কুয়েত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন পরে জানিয়েছে যে ‘ইরানের ধারাবাহিক হামলায়’ তাদের একটি তেল স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার ফলে উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি ও কয়েকজন আহতের ঘটনা ঘটেছে।
ইরানি গণমাধ্যমের তথ্যমতে, আইআরজিসি বাহরাইনের শেখ ইসা বিমানঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমানগুলোর অবস্থানস্থল এবং একটি গোয়েন্দা তথ্য কেন্দ্রকেও লক্ষ্যবস্তু করেছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের খবর অনুযায়ী, শনিবার ভোরে জর্ডানের আল আজরাক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার সময় গার্ডস বাহিনী যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত দুটি যুদ্ধবিমান ও আরও তিনটি বিমান ধ্বংস করেছে।
শনিবার ভোরে সৌদি আরবের আগাম সতর্কীকরণ ব্যবস্থা আল-খারজ ও ইয়ানবুর বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে সতর্কতা জারি করে। রিয়াদের পূর্বে অবস্থিত আল-খারজে মার্কিন সেনাদের একটি সামরিক ঘাঁটি রয়েছে; অন্যদিকে লোহিত সাগরের তীরে অবস্থিত ইয়ানবুতে রয়েছে একটি গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি টার্মিনাল।
তবে, আইআরজিসি সৌদি আরবে কোনো হামলার কথা উল্লেখ করেনি।
সূত্র: সিএমজি বাংলা