বুধবার বিকেলে, বেইজিংয়ের গণমহাভবনে, ‘চীন-রাশিয়া শিক্ষাবর্ষ’-র উদ্বোধনী অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন যৌথভাবে, ‘চীন-রাশিয়া শিক্ষাবর্ষ’-র লোগো উন্মোচন করেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং তাঁর বক্তৃতায় বলেন, চলতি বছর চীন-রাশিয়া কৌশলগত অংশীদারি প্রতিষ্ঠার ৩০তম বার্ষিকী এবং ‘চীন-রাশিয়া সুপ্রতিবেশীসূলভ সম্পর্ক, বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা চুক্তি’ স্বাক্ষরের ২৫তম বার্ষিকী। আমি ও প্রেসিডেন্ট পুতিন দু'পক্ষের সম্পর্কের দীর্ঘস্থায়ী উন্নয়নের জন্য এই বিশেষ ‘চীন-রাশিয়া শিক্ষাবর্ষ’ পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি। চীন-রাশিয়া শিক্ষা সহযোগিতা গভীরতর হচ্ছে এবং ফলপ্রসূ হয়েছে।
প্রেসিডেন্ট সি আরও বলেন, জাতীয় শক্তির ভিত্তি নিহিত রয়েছে শিক্ষার মধ্যে। চীন ও রাশিয়ার উচিত, প্রতিভা বিকাশে সহযোগিতা আরও গভীর করা, যৌথভাবে বিশ্বমানের প্রতিভা পুল, এবং জাতীয় কৌশলগত বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা গড়ে তোলা, একসঙ্গে অত্যাধুনিক বৈজ্ঞানিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা এবং উভয় দেশের উদ্ভাবনী উন্নয়নে অবদান রাখা।
প্রেসিডেন্ট পুতিন বলেন, উভয় দেশের সার্বিক কৌশলগত অংশীদারি সম্পর্কের জন্য শিক্ষা খাতে সহযোগিতা অপরিহার্য। ‘রাশিয়া-চীন শিক্ষাবর্ষ’ বৈশিষ্ট্যপূর্ণ। রাশিয়া ও চীন শিক্ষাকে গুরুত্ব দেয়। শিক্ষা শুধু ব্যক্তির উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়, বরং জাতীয় অর্থনীতি ও সমাজের ভিত্তিও স্থাপন করে। চীনের সাথে রাশিয়া শিক্ষা সহযোগিতা প্রচার করার মাধ্যমে দু’দেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া বাড়াতে পারে।
(অনুপমা/আলিম/শিশির)