বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) একটি রায়কে স্বাগত জানিয়েছে চীন। সেখানে বলা হয়, চীন থেকে আমদানি করা বৈদ্যুতিক ও কিছু অন্যান্য ধরনের যানবাহনের ওপর তুরস্কের আরোপিত বিধিনিষেধ বৈশ্বিক বাণিজ্যবিধির পরিপন্থী। মঙ্গলবার চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানায়।
মঙ্গলবার ডব্লিউটিও চীনের দায়ের করা মামলার প্যানেল প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এতে চীনের অভিযোগ সমর্থন করা হয় এবং রায়ে বলা হয়, তুরস্কের গৃহীত পদক্ষেপগুলো ডব্লিউটিওর নিয়ম লঙ্ঘন করেছে। গণমাধ্যমের এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও আইন বিভাগের এক কর্মকর্তা এ কথা জানান।
ওই কর্মকর্তা বলেন, ২০২৩ সাল থেকে তুরস্ক চীনা বৈদ্যুতিক ও হাইব্রিড যানবাহন এবং অন্যান্য কিছু যানবাহনের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক ও আমদানি লাইসেন্সের বাধ্যবাধকতাসহ বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করে আসছে। এ সব পদক্ষেপ ডব্লিউটিওর বিভিন্ন বিধান, যেমন নির্ধারিত শুল্কসীমা, জাতীয় সমমর্যাদার নীতি এবং সর্বাধিক সুবিধাপ্রাপ্ত দেশের নীতি লঙ্ঘন করেছে। এর ফলে চীনের বৈধ বাণিজ্যিক স্বার্থ এবং দুই দেশের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, চীন তুরস্কের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে যেন তারা ডব্লিউটিওর প্যানেল রায়কে সম্মান করে, দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং ডব্লিউটিওর বিধিবহির্ভূত ব্যবস্থা যত দ্রুত সম্ভব সংশোধন করে।
কর্মকর্তা বলেন, চীন সর্বদা পারস্পরিক লাভজনক উন্মুক্তকরণের কৌশল অনুসরণ করে এবং ডব্লিউটিওকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা বহুপক্ষীয় বাণিজ্যব্যবস্থাকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন করে। বহুপক্ষীয় বাণিজ্যবিধি মেনে নতুন জ্বালানিচালিত যানবাহনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতার মান ও পরিসর আরও উন্নত করতে এবং অভিন্ন উন্নয়ন অর্জনের লক্ষ্যে সব পক্ষের সঙ্গে কাজ করতে চীন প্রস্তুত। সূত্র: সিএমজি বাংলা