Tuesday, October 27, 2026
Live
ইসলাম
Verified
3 min read

বদ নজর থেকে হেফাজত: আইনুল হাসাদের রুকিয়াহ

মাহফুজ রহমান
মাহফুজ রহমান ডেস্ক সম্পাদক
Published: Updated:
বদ নজর থেকে হেফাজত: আইনুল হাসাদের রুকিয়াহ
বদ নজর থেকে হেফাজত: আইনুল হাসাদের রুকিয়াহ
​অন্যান্য আধ্যাত্মিক রোগের (যেমন জাদু বা সাধারণ জিন আসর) তুলনায় নজরের রোগীরা সাধারণত দেরিতে সুস্থ হয়। তাই একজন রাক্বী (ঝাড়ফুঁককারী) উচিত এই শয়তানের সাথে অত্যন্ত ধৈর্য, সূক্ষ্ম বুদ্ধিমত্তা, বিচক্ষণতা এবং হিকমতের সাথে আচরণ করা, যাতে রোগীর ওপর অতিরিক্ত ধকল না যায়।
​শরীরের ভেতরে প্রবেশ: নজর মানুষের শরীরের হাড়, জোড় এবং পেশির ভেতরে অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও ক্ষতিকর উপায়ে প্রবেশ করে।
​জাদুর সাথে পার্থক্য: জাদু সাধারণত শরীরের নির্দিষ্ট একটি স্থানে অবস্থান করে যতক্ষণ না তা নষ্ট করা হয়।
​সাধারণ নজর ও এর পার্থক্য: সাধারণ আইন বা নজর শরীরের বাহ্যিক ইফেক্ট বা শক্তির ক্ষেত্রকে প্রভাবিত করে এবং মূল শক্তি স্তম্ভে প্রবেশ করে না। কিন্তু 'হাসাদ' যখন শরীরে প্রবেশ করে, তখন তা অত্যন্ত সুক্ষ্ম ও জটিলভাবে ছড়িয়ে পড়ে। তাই এর চিকিৎসা পদ্ধতি অন্যান্য আধ্যাত্মিক রোগ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা, কঠিন ও মারাত্মক।

বমি বা বর্জ্য পদার্থের মাধ্যমে কফ অপসারণ

​নজরের লক্ষণ: নজরের কারণে অনেক সময় লালা বা কফের মতো একধরনের পিচ্ছিল বস্তু ও সুতার মতো পদার্থ তৈরি হয়। হাসাদ যখন বুকে চেপে বসে, তখন রোগীর শক্তির চক্রগুলো বন্ধ হয়ে যায়। ফলে রোগী বুকে প্রচণ্ড কষ্ট, হদরপিণ্ডে ব্যথা, বুক ধড়ফড় করা, কাঁধে ভারী ভাব এবং পিঠের মাঝখানে তীব্র ব্যথার,জ্বালাপোড়া, মতো সমস্যায় ভোগে অনেক সময় শরীরে বামপাশের গরম অনুভব হয়।
​বমির প্রকৃতি: এই অবস্থায় বমি বা বর্জ্য পদার্থ সাধারণত উপরের বুক থেকে কফ ও কাশির মাধ্যমে বের হয় (যা পেট থেকে বের হওয়া সাধারণ বমির চেয়ে আলাদা)।

চিকিৎসার মূল নীতিসমূহ

​১. বমি করানোর নিয়ম: বমি করানোর ক্ষেত্রে সাধারণ সুরা ফিল, সুরা আর রাদ পানি খাওয়াতে হবে । এমন কোনো ক্ষতিকর মিশ্রণ ব্যবহার করা যাবে না যা রোগীর মৃত্যুর কারণ হতে পারে যেমন সোনা পাতা, আতর, গোলাপজল ইত্যাদি। এই বমির মাধ্যমেই শয়তানের শক্তি জোগানো ক্ষতিকর উপাদানগুলো শরীর থেকে বের হয়ে যায়।
২. শরীর ঠান্ডা রাখা: কারণ ঠান্ডা বা শীতলতা এই বিশেষ শয়তানের ওপর মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
নজরের লক্ষণ: নজরের কারণে অনেক সময় লালা বা কফের মতো একধরনের পিচ্ছিল বস্তু ও সুতার মতো পদার্থ তৈরি হয়। হাসাদ যখন বুকে চেপে বসে, তখন রোগীর শক্তির চক্রগুলো বন্ধ হয়ে যায়। ফলে রোগী বুকে প্রচণ্ড কষ্ট, হদরপিণ্ডে ব্যথা, বুক ধড়ফড় করা, কাঁধে ভারী ভাব এবং পিঠের মাঝখানে তীব্র ব্যথার মতো সমস্যায় ভোগে।
​বমির প্রকৃতি: এই অবস্থায় বমি বা বর্জ্য পদার্থ সাধারণত উপরের বুক থেকে কফ ও কাশির মাধ্যমে বের হয় (যা পেট থেকে বের হওয়া সাধারণ বমির চেয়ে আলাদা)।
হাসাদের জাদু মারাত্মক প্রভাব পড়ে যেমন, হাসাদের রুগি একটু সুস্হ অনুভব করলে, নতুন করে জাদু করা শুরু করে, শরীর প্রতিটি পশমের গোড়ায় জাদু মারাত্মক বিষ প্রয়োগ করে। হাসাদের জাদু কোন উন্নতি হয়না বছর পর বছর সেল্ফ রুকইয়াহ করলে ইনশাআল্লাহ সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

চিকিৎসা পরামর্শ

  • সুরা ক্বাফ -৩ বার
  • সুরা আর রাদ - ১ বার
  • সুরা ফিল ২৩ বার
পড়ে ১ গ্লাস পানিতে বা ৫ লিটার পানিতে ফু দিয়ে, সে পানি যতটুকু খেতে পারেন সারাদিন এই পানি খাবেন ( ২১ দিন চলবে)

নোট: সকল জাদু কখনো না কখনো নষ্ট হয়, হাসাদের জাদু কবে নষ্ট হবে রুগির আমলের উপর নির্ভর করে।

Rate This Article

How would you rate this article?

মাহফুজ রহমান

মাহফুজ রহমান

ডেস্ক সম্পাদক

৫ বছর ধরে সাংবাদিকতা ও লেখালেখি করছেন। তিনি মূলত শিক্ষাবিষয়ক এক্সপার্ট। তিনি লেখাপড়া, চাকরি বা ক্যারিয়ার, বিদেশে উচ্চশিক্ষা, প্রযুক্তি ইত্যাদি বিষয়ে নিয়মিত লেখালেকি ও সংবাদ সম্পাদনা করেন।

Featured Products

View All

Our Editorial Standards

We are committed to accurate, well-researched, and trustworthy journalism.

Fact-Checked

Every claim is verified by our editorial team before publication.

Expert Review

Content reviewed by subject matter experts for accuracy.

Regularly Updated

We update content to reflect the latest developments.

Unbiased Coverage

We present balanced perspectives and multiple viewpoints.