লং মার্চ টু ঢাকা মানে কি, কবে, কি হবে
লং মার্চ টু ঢাকা মানে কি, এটা অনেকেরই প্রশ্ন। Long march to Dhaka এর অর্থ হচ্ছে রাজধাী ঢাকা অভিমুখী যাত্রা। বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের এই কর্মসূচির অর্থ হচ্ছে ঢাকা ও এর আশেপাশের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ ঢাকায় এসে শাহবাগসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে জড়ো হয়ে পরে গণভবন ঘেরাও করা। তাদের দাবি ১ দফা, বর্তমান সরকারের পদত্যাগ।
৪ আগস্ট ২০২৪ (রবিবার) নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। সারা দেশ থেকে ঢাকায় আসার আহ্বান জানানো হয় জনতাকে। লং মার্চ-এর তারিখ প্রথমে ৬ আগস্ট ঘোষণা করলেও পরে ১ দিন এগিয়ে ৫ আগস্ট ২০২৪ (সোমবার) নির্ধারণ করা হয়। ‘লংমার্চ টু ঢাকা’ সফল করতে সারা দেশের ছাত্র-নাগরিক-শ্রমিকদের ঢাকায় আসার আহ্বান জানানো হয়।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ সন্ধ্যার দিকে জানান, ‘মার্চ টু ঢাকা’ আগামীকাল। পরিস্থিতি পর্যালোচনায় এক জরুরি সিদ্ধান্তে আমাদের ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি ৬ আগস্ট থেকে পরিবর্তন করে ৫ আগস্ট করা হলো। অর্থাৎ আগামীকালই সারা দেশের ছাত্র-জনতাকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করার আহ্বান জানাচ্ছি।
তিনি বলেন, ইতিহাসের অংশ হতে ঢাকায় আসুন সকলে। যে যেভাবে পারেন ঢাকায় কালকের মধ্যে ঢাকায় চলে আসুন। ছাত্র-জনতা এক নতুন বাংলাদেশের অভ্যূদয় ঘটাবো।
এর আগে সকালে নিজের ওয়ালে ফেসবুক পোস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম লিখেন, আগামীকাল ৫ আগস্ট সোমবার সারা দেশে শহীদ স্মৃতিফলক উন্মোচন, ঢাকায় সকাল ১১টায় শাহবাগে শ্রমিক সমাবেশ, বিকাল ৫টায় শহীদ মিনারে নারী সমাবেশ এবং সারা দেশে বিক্ষোভ ও গণঅবস্থান হবে।
তিনি ৬ আগস্ট মঙ্গলবার ‘লংমার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচিতে সারা দেশের ছাত্র-নাগরিক-শ্রমিকদের ঢাকায় আসার আহ্বান জানান এবং সব এলাকায়, পাড়ায়, গ্রামে, উপজেলা, জেলায় ছাত্রদের নেতৃত্বে সংগ্রাম কমিটি গঠনের কথাও বলেন।
নাহিদ লিখেছেন, যদি ইন্টারনেট ক্র্যাকডাউন হয়, আমাদের গুম, গ্রেফতার, খুনও করা হয়, যদি ঘোষণা করার কেউ নাও থাকে, একদফা দাবিতে সরকার পতন না হওয়া পর্যন্ত সবাই রাজপথ দখলে রাখবেন এবং শান্তিপূর্ণভাবে অসহযোগ আন্দোলন অব্যাহত রাখবেন।
লংমার্চ টু ঢাকা অনুষ্ঠিত হবে ৫ আগস্ট ২০২৪ (সোমবার)। প্রথমে ৬ আগস্ট ঘোষণা করলেও পরে ১ দিন এগিয়ে ৫ আগস্ট ২০২৪ নির্ধারণ করা হয়।