ফয়সল আবদুল্লাহ
ইবোলা ভাইরাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ জিনগত মিউটেশন শনাক্ত করেছেন চীনা বিজ্ঞানীরা। ২০১৮–২০২০ সালে কঙ্গোর গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রে (ডিআরসি) ঘটে যাওয়া বড় প্রাদুর্ভাবের সময় ভাইরাসটির সংক্রমণক্ষমতা বাড়িয়েছিল এই মিউটেশন। ভবিষ্যতে মহামারি নজরদারি ও ওষুধ উন্নয়নে এই গবেষণা নতুন দিকনির্দেশনা দেবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
সুন ইয়াত-সেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ছিয়ান চুনের নেতৃত্বে পরিচালিত গবেষণাটি আন্তর্জাতিক জার্নাল সেল-এ প্রকাশিত হয়েছে। গবেষণায় দক্ষিণ চীনের কুয়াংচৌ এইথ পিপলস হসপিটাল, চিলিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্স্ট হাসপাতাল এবং সুন ইয়াত-সেনের একাধিক দল অংশ নেয়।
গবেষকরা ২০২২ সালে ৪৮০টি সম্পূর্ণ ইবোলা ভাইরাস জিনোম বিশ্লেষণ করে দেখতে পান, ভাইরাসের গ্লাইকোপ্রোটিনে সংঘটিত জিপি-ভি৭৫এ নামের একটি নির্দিষ্ট মিউটেশন প্রাদুর্ভাবের শুরুতেই দেখা দেয় এবং দ্রুত মূল স্ট্রেইনকে প্রতিস্থাপন করে।
এই ভ্যারিয়েন্টের বিস্তার ও সংক্রমণের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক পাওয়া যায়, যা ইঙ্গিত দেয়—মিউটেশনটি ভাইরাসকে অতিরিক্ত সংক্রমণক্ষম করে তুলেছে।
পরের আরেক পরীক্ষায় দেখা যায়, জিপি-ভি৭৫এ মিউটেশন ভাইরাসের একাধিক ধরনের কোষ ও প্রাণীতে সংক্রমণের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দেয়। পাশাপাশি, এই পরিবর্তনের কারণে কিছু বিদ্যমান অ্যান্টিভাইরাল অ্যান্টিবডি ও ওষুধের কার্যকারিতা কমে যেতে পারে, যা ওষুধ-প্রতিরোধী হওয়ার ঝুঁকিও বাড়িয়ে দেয়।
অধ্যাপক ছিয়ান বলেন, বড় আকারের প্রাদুর্ভাবের সময় ভাইরাসের রিয়েল-টাইম জিনোম নজরদারি ও বিবর্তন বিশ্লেষণ গুরুত্বপূর্ণ। এতে সংক্রমণের ঝুঁকি সম্পর্কে আগাম সতর্কতা পাওয়া যায় এবং প্রচলিত ভ্যাকসিনের মূল্যায়ন করে দ্রুত কৌশল বদলানো যায়।
সূত্র: সিএমজি
ইবোলা ভাইরাসের গুরুত্বপূর্ণ জিনগত পরিবর্তন
Stay Connected:
Our Editorial Standards
We are committed to accurate, well-researched, and trustworthy journalism.
Fact-Checked
Every claim is verified by our editorial team before publication.
Expert Review
Content reviewed by subject matter experts for accuracy.
Regularly Updated
We update content to reflect the latest developments.
Unbiased Coverage
We present balanced perspectives and multiple viewpoints.