গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে চীনা দূতাবাস। বুধবারের এ আয়োজনে দুই দেশের সহযোগিতা আরও জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেন অংশগ্রহণকারীরা।
চীনের জাতীয় দিবসের এই অনুষ্ঠানে হোয়াইট হাউস, মার্কিন পররাষ্ট্র ও বাণিজ্য দপ্তরের প্রতিনিধি ছাড়াও বিভিন্ন খাতের ব্যক্তিত্ব এবং নানা দেশের কূটনীতিকসহ ৮০০ জনের বেশি অতিথি অংশ নেন।
চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের তিন দিনের যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষ হওয়ার কয়েক দিন পর এ অভ্যর্থনা অনুষ্ঠিত হল। অনুষ্ঠানে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত সিয়ে ফেং বলেন, ২০২৬ সাল চীনের ১৫তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ২০২৬ থেকে ২০৩০ সালের শুরুর বছর। এই পরিকল্পনা চীনের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার নির্ধারণ করছে।
তিনি বলেন, শক্তিশালী রাষ্ট্র গঠন ও জাতীয় পুনর্জাগরণের নতুন যাত্রায় চীন এগিয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে বিশ্বে স্থিতিশীলতা ও ইতিবাচক শক্তি জোগাতে চীন অব্যাহতভাবে কাজ করছে।
চীন-যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে উল্লেখ করে সিয়ে ফেং বলেন, দুই দেশের উচিত পারস্পরিক সুবিধা ও উভয়ের জন্য কল্যাণকর ফল অর্জনে একসঙ্গে কাজ করা, যা বিশ্বের জন্যও ইতিবাচক হবে।
অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথিদের মধ্যে ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত মার্কিন শিক্ষক রোনাল্ড সাকোলস্কি। সম্প্রতি তিনি চীন সফর করে উত্তর চীনের ইনার মঙ্গোলিয়া স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের মরুকরণবিরোধী আন্দোলনের পথিকৃৎ ইয়িন ইউজেনের সঙ্গে ২৬ বছর পর দেখা করেন।
সাকোলস্কি বলেন, ভবিষ্যৎকে আরও সুন্দর করতে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র একে অপরের অভিজ্ঞতা ও ধারণা ভাগাভাগি করতে পারে। চীনা জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি চীনের জাতীয় দিবসের শুভেচ্ছাও জানান।
অভ্যর্থনায় অংশ নেওয়া অতিথিরা চীনের দ্রুত উন্নয়ন এবং এর বৈশ্বিক প্রভাবের কথা তুলে ধরেন।
ওয়াশিংটন ব্যুরো চিফ অব দ্য এক্সিকিউটিভ ইন্টেলিজেন্স রিভিউ উইলিয়াম জোন্স বলেন, চীনের উন্নয়নের গতি তাকে সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ করেছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং শিল্পে বিনিয়োগের মাধ্যমে চীনের উন্নয়নের পথ বিশ্বের বহু উন্নয়নশীল দেশকে নতুনভাবে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে।
সূত্র: সিএমজি