Wednesday, October 7, 2026
Live

জাতিসংঘে মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে অভিযোগের কড়া জবাব চীনের

মাহফুজ রহমান
মাহফুজ রহমান ডেস্ক সম্পাদক
Published: Updated:
জাতিসংঘে মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে অভিযোগের কড়া জবাব চীনের

চীনের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে কয়েকটি দেশের করা অভিযোগের কড়া জবাব দিয়েছে চীন। সোমবার, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের তৃতীয় কমিটির ৮১তম অধিবেশনের সাধারণ বিতর্কে চীনের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি সুন লেই এসব অভিযোগকে ভিত্তিহীন ও বিদ্বেষপূর্ণ অপপ্রচার হিসেবে উল্লেখ করে, মানবাধিকার ইস্যুকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার না করার আহ্বান জানান।

সুন লেই বলেন, যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, আয়ারল্যান্ড, চেক প্রজাতন্ত্র ও লিথুয়ানিয়ার প্রতিনিধিরা তাদের বক্তব্যে চীনের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে ভিত্তিহীন অভিযোগ ও বিদ্বেষপূর্ণ অপপ্রচার চালিয়েছেন। চীন এর তীব্র নিন্দা ও বিরোধিতা করে।

তিনি বলেন, “উল্লিখিত দেশগুলো নিজেদের অন্যদের চেয়ে শ্রেষ্ঠ মনে করে এবং প্রায়শই মানবাধিকার বিষয়ে ‘উপদেশদাতা’র ভঙ্গি ধারণ করে; অথচ তাদের নিজেদের দেশেই মানবাধিকারের গুরুতর সমস্যা রয়েছে। মানবাধিকার বিষয়ে অন্যদের উপদেশ দেওয়ার মতো কোনো অবস্থানে তারা নেই, আর চীনের বিষয়ে দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য করার সূযোগ নেই।”

সুন উল্লেখ করেন, উন্নয়নের ধারায় চীন জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত ও বৃদ্ধি করে চলেছে এবং দেশজুড়ে চরম দারিদ্র্য নির্মূল করেছে। গ্রামীণ এলাকার প্রায় ১০ কোটি দরিদ্র মানুষকে দারিদ্র্যসীমার ওপরে তুলে আনা হয়েছে। বর্তমানে চীনে ৪০ কোটিরও বেশি মানুষ মধ্যম আয়ের শ্রেণিতে রয়েছে।

হংকং বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চলে জাতীয় নিরাপত্তা সুরক্ষা আইন প্রণয়নকে তিনি একটি ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণ হিসেবে উল্লেখ করেন। তার মতে, এই আইন হংকংকে বিশৃঙ্খলা থেকে সুশাসন এবং স্থিতিশীলতা থেকে সমৃদ্ধির পথে নিয়ে গেছে। একই সঙ্গে অঞ্চলটির গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার উন্নয়ন ও বিকাশ ঘটিয়েছে। হংকংয়ের সর্বস্তরের মানুষ এই আইনকে সমর্থন জানিয়েছে বলেও জানান তিনি।

চীনের বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর অধিকার প্রসঙ্গে সুন বলেন, সিনচিয়াং উইগুর স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল ও সিচাং স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের সব জাতিগোষ্ঠীর মানুষের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় অধিকারসহ অন্যান্য অধিকার কার্যকরভাবে সুরক্ষিত। ‘জাতিগত ঐক্য ও অগ্রগতি সাধন আইন’ বাস্তবায়নের লক্ষ্য হলো সব জাতিগোষ্ঠীর যৌথ সমৃদ্ধি ও উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা।

অন্যদিকে, জাপান জাতিগত বৈষম্য দূর করার প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ হয়েছে অভিযোগ করে সুন বলেন, আইনু ও রিউকিউ জনগোষ্ঠীকে সমান জাতিগোষ্ঠী হিসেবে গণ্য না করায় তাদের অস্তিত্ব ও উন্নয়ন হুমকির মুখে পড়েছে। যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়া ও আয়ারল্যান্ডে ঔপনিবেশিকতার দীর্ঘস্থায়ী ক্ষত রয়েছে এবং এসব দেশ বর্ণবাদ ও জাতিগত বিভাজনের মতো গুরুতর সামাজিক সমস্যার মুখোমুখি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সূত্র: সিএমজি

Rate This Article

How would you rate this article?

মাহফুজ রহমান

মাহফুজ রহমান

ডেস্ক সম্পাদক

৫ বছর ধরে সাংবাদিকতা ও লেখালেখি করছেন। তিনি মূলত শিক্ষাবিষয়ক এক্সপার্ট। তিনি লেখাপড়া, চাকরি বা ক্যারিয়ার, বিদেশে উচ্চশিক্ষা, প্রযুক্তি ইত্যাদি বিষয়ে নিয়মিত লেখালেকি ও সংবাদ সম্পাদনা করেন।

Featured Products

View All

Our Editorial Standards

We are committed to accurate, well-researched, and trustworthy journalism.

Fact-Checked

Every claim is verified by our editorial team before publication.

Expert Review

Content reviewed by subject matter experts for accuracy.

Regularly Updated

We update content to reflect the latest developments.

Unbiased Coverage

We present balanced perspectives and multiple viewpoints.