জানুয়ারি ১৭, সিএমজি বাংলা ডেস্ক: বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা বাড়তে থাকায় সামনের বছরগুলোয় জ্বালানি নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে যাচ্ছে চীন। একটি সাম্প্রতিক শিল্প প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশটির জ্বালানি স্বয়ংসম্পূর্ণতার হার ৮৫ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।
বেইজিং ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল পলিসি রিসার্চ সেন্টারের প্রতিবেদনে বলা হয়, রাশিয়া, ভেনিজুয়েলা ও ইরানের মতো ঐতিহ্যবাহী জ্বালানি অঞ্চলে অস্থিরতা বাড়ায় চীন বহুমুখী জ্বালানি ব্যবস্থা ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের মাধ্যমে জাতীয় জ্বালানি স্থিতিশীলতা জোরদার করছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৫তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০২৬–৩০) সময়ে কয়লা ও তেলের ব্যবহার সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছানোর একটি ঐতিহাসিক মোড়ে দাঁড়িয়ে আছে বিশ্বের বৃহত্তম জ্বালানি ভোক্তা দেশটি।
বিশেষজ্ঞরা জানান, সলিড-স্টেট ব্যাটারি, চতুর্থ প্রজন্মের পারমাণবিক শক্তি ও নিয়ন্ত্রিত নিউক্লিয়ার ফিউশনের মতো সীমান্তবর্তী খাতে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে চীন। ২০৩০ সালের মধ্যে উন্নত শক্তি সংরক্ষণ সক্ষমতা ৩৫ কোটি কিলোওয়াট ছাড়াতে পারে।
নভেম্বরে চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত জিএসি গ্রুপ ৬০ অ্যাম্পিয়ার-আওয়ারের বেশি ক্ষমতার অটোমোটিভ সলিড-স্টেট ব্যাটারি উৎপাদনে সক্ষম দেশের প্রথম উচ্চক্ষমতার উৎপাদন লাইন সম্পন্ন করেছে।
প্রতিবেদন বলছে, চীনের জ্বালানি ব্যবস্থা নীতিনির্ভরতা ছেড়ে বাজারনির্ভরতায় রূপ নিচ্ছে। ফলে জিডিপিতে জ্বালানি ব্যয়ের অংশ ২০২৫ সালের প্রায় ১৩ শতাংশ থেকে ২০৩০ সালে ১১ শতাংশের নিচে নামতে পারে।
ফয়সল/শুভ
তথ্য ও ছবি: চায়না ডেইলি
জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার করছে চীন
Stay Connected:
Our Editorial Standards
We are committed to accurate, well-researched, and trustworthy journalism.
Fact-Checked
Every claim is verified by our editorial team before publication.
Expert Review
Content reviewed by subject matter experts for accuracy.
Regularly Updated
We update content to reflect the latest developments.
Unbiased Coverage
We present balanced perspectives and multiple viewpoints.