জানুয়ারি ১৭, সিএমজি বাংলা ডেস্ক: চীনা ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা (টিসিএম) এখন ধীরে ধীরে বিশ্বজুড়ে মানুষের আস্থা ও আগ্রহ অর্জন করছে। ইউরোপ থেকে এশিয়া পর্যন্ত বিভিন্ন দেশে চিকিৎসা, সুস্থতা ও জীবনধারার অংশ হিসেবে টিসিএমের ব্যবহার বাড়ছে।
জার্মানির বিখ্যাত বাহনহফ-আপোথেকে ফার্মেসি চেইনে গত ছয় বছরের বেশি সময় ধরে চীনের একটি ভেষজ ওষুধ নিয়মিত বিক্রি হচ্ছে। এ পর্যন্ত প্রায় দুই লাখ বোতল বিক্রি হওয়া পণ্যটি শ্বাসযন্ত্রজনিত সমস্যার উপশমে ব্যবহৃত হচ্ছে। শুধু ওষুধ নয়, টিসিএমের নীতির ওপর ভিত্তি করে তৈরি মৌসুমি ভেষজ চা এখন জার্মানির ফার্মেসি ও চা দোকানেও পাওয়া যাচ্ছে।
আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেতে টিসিএমকে মান ও বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে। এ লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক মান সংস্থা (আইএসও)-এর আওতায় টিসিএমের জন্য শতাধিক আন্তর্জাতিক মান প্রণয়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি, চীনের বিশ্ববিদ্যালয় ও ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা, গবেষণা ও উৎপাদন ব্যবস্থা গড়ে তুলেছে।
প্রযুক্তির সহায়তায় টিসিএম শিল্পেও বড় পরিবর্তন এসেছে। আধুনিক কারখানায় ডিজিটাল নিয়ন্ত্রণ, কিউআর কোডের মাধ্যমে ওষুধের উৎস ও উৎপাদন প্রক্রিয়া অনুসরণ, এমনকি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে ভেষজ সূত্র বিশ্লেষণ ও উন্নয়ন করা হচ্ছে।
চীনের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বের ১৯৬টি দেশ ও অঞ্চলে টিসিএম চর্চা করা হচ্ছে এবং ৪০টিরও বেশি দেশের সঙ্গে এ খাতে সহযোগিতা চুক্তি রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, চিকিৎসার পাশাপাশি সুস্থ জীবনধারার অংশ হিসেবে টিসিএমের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াই এর বৈশ্বিক জনপ্রিয়তার মূল কারণ।
ফযসল/নাহার
তথ্য ও ছবি: সিনহুয়া
বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে টিসিএম
Stay Connected:
Our Editorial Standards
We are committed to accurate, well-researched, and trustworthy journalism.
Fact-Checked
Every claim is verified by our editorial team before publication.
Expert Review
Content reviewed by subject matter experts for accuracy.
Regularly Updated
We update content to reflect the latest developments.
Unbiased Coverage
We present balanced perspectives and multiple viewpoints.