বিভিন্ন দেশে চীনের দূতাবাস ও কূটনৈতিক মিশনে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।
পাকিস্তানে জাতীয় দিবসের এ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বৈশ্বিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন এগিয়ে নিতে চীনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে বেইজিংয়ের সঙ্গে পাকিস্তানের ‘সব আবহাওয়ার কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারিত্ব’ আরও জোরদারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং এবং চীনা জনগণকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান শাহবাজ শরিফ। তিনি দিনটিকে চীনা জাতির অধ্যবসায়, ঐক্য ও অদম্য চেতনার প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর উপলক্ষ হিসেবে উল্লেখ করেন।
এদিকে, নিউইয়র্কে চীনা কনস্যুলেট জেনারেল আয়োজিত সংবর্ধনায় ৪০০-এর বেশি অতিথি অংশ নেন। রবার্ট মরিস বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগাযোগ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক অ্যান্থনি মোরেত্তি আগামী পাঁচ বছরে এক লাখ মার্কিন শিক্ষার্থীকে চীন সফরের আমন্ত্রণ জানানোর প্রেসিডেন্ট সি চিনপিংয়ের উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন। তার মতে, এমন সফর শিক্ষার্থীদের জীবনে দীর্ঘস্থায়ী অভিজ্ঞতা তৈরি করবে।
চীনের আসিয়ান মিশনও ৭৭তম জাতীয় দিবস উপলক্ষে সংবর্ধনার আয়োজন করে। চীন-আসিয়ান ব্যাপক কৌশলগত অংশীদারিত্বের পঞ্চম বার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠানে একটি আলোকচিত্র প্রদর্শনীরও আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে আসিয়ান মহাসচিব কাও কিম হর্ন চীন ও চীনা জনগণকে জাতীয় দিবসের শুভেচ্ছা জানান। তিনি আশা করেন, আসিয়ান-চীন সম্পর্ক আরও এগিয়ে যাবে, অংশীদারিত্ব সম্প্রসারিত হবে এবং সহযোগিতা আরও গভীর হবে।
হাঙ্গেরিতেও চীনা দূতাবাসের আয়োজনে জাতীয় দিবসের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। এতে হাঙ্গেরির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ক্লারা ব্রুয়ার চীনা জনগণের সমৃদ্ধি ও সুখ কামনা করেন। একই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে আগামী বহু দশকের যৌথ সাফল্যের প্রত্যাশা করেন তিনি।
১ অক্টোবর চীনের জাতীয় দিবস। ১৯৪৯ সালের এই দিনে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেওয়া হয়।
সূত্র: সিএমজি