জানুয়ারি ১৭, সিএমজি বাংলা ডেস্ক: নিউক্লিয়ার ফিউশন প্রযুক্তিতে অভাবনীয় রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে চীন। দেশটির 'বার্নিং প্লাজমা এক্সপেরিমেন্টাল সুপারকন্ডাক্টিং টোকামাক' প্রকল্পের নির্মাণ কাজ দ্রুত এগিয়ে চলায় লক্ষ্যমাত্রা এখন অনেকটাই হাতের নাগালে।
শুক্রবার পূর্ব চীনের আনহুই প্রদেশের হ্যফেই শহরে শুরু হওয়া 'ফিউশন এনার্জি টেকনোলজি অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি কনফারেন্স ২০২৬'-এ এই তথ্য জানানো হয়। সম্মেলনে বক্তারা জানান, ২০৩০ সালের মধ্যে এই প্রকল্প থেকে খরচের তুলনায় বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
সম্মেলনের মূল প্রবন্ধে বলা হয়, পরমাণু শক্তি নিয়ে বিজ্ঞানের দীর্ঘদিনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা এখন সফল হওয়ার ঠিক আগের ধাপে রয়েছে। প্রকল্পটি তৈরি করা হয়েছে বিশেষ এক ধরনের জ্বালানি (ডিউটেরিয়াম ও ট্রিটিয়াম) পুড়িয়ে শক্তি তৈরির জন্য। এটি সফল হলে ইতিহাসের পাতায় নাম লেখাবে, কারণ প্রথমবারের মতো এই পদ্ধতি ব্যবহার করে সরাসরি বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।
সূর্যের শক্তির উৎসকে পৃথিবীতে কৃত্রিমভাবে তৈরি করার এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় ‘আদর্শ জ্বালানি উৎস’। যুক্তরাষ্ট্র, জাপান এবং যুক্তরাজ্যের মতো দেশগুলোও এই দৌড়ে পিছিয়ে নেই। অধিকাংশ দেশই ২০৪০ সালের মধ্যে তাদের ফিউশন বিদ্যুৎ কেন্দ্র বা ডেমোনেস্ট্রেশন প্রজেক্ট সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। তবে অগ্রগতির নিরিখে চীন এখন শীর্ষে আছে।
দেশটির 'এক্সপেরিমেন্টাল অ্যাডভান্সড সুপারকন্ডাক্টিং টোকামাক' এর আগে বারবার বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে।
সম্মেলনে হফেই শহরের ছাংফেং কাউন্টিতে একটি পূর্ণাঙ্গ ‘ফিউশন সিটি’ নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
মূলত বড় মাপের ইঞ্জিনিয়ারিং প্রকল্পগুলোকে কেন্দ্র করে এই শহরটি গড়ে উঠবে, যা ভবিষ্যতে ফিউশন প্রযুক্তির বৈশ্বিক হাব হিসেবে কাজ করবে।
শুভ/ফয়সল
তথ্য ও ছবি: চায়না ডেইলি
২০৩০ সালের মধ্যে ফিউশন বিদ্যুতের পথে চীন
Stay Connected:
Our Editorial Standards
We are committed to accurate, well-researched, and trustworthy journalism.
Fact-Checked
Every claim is verified by our editorial team before publication.
Expert Review
Content reviewed by subject matter experts for accuracy.
Regularly Updated
We update content to reflect the latest developments.
Unbiased Coverage
We present balanced perspectives and multiple viewpoints.