নতুন করে মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগের অনুমোদন বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মালয়েশিয়া সরকার। তবে এই সিদ্ধান্তে বাংলাদেশ থেকে যারা মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য ডাটাবেজ পূরণ করে নিবন্ধিত হয়েছে, তাদের উদ্বেগের কিছু নেই বলে আশ্বস্ত করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন। তিনি গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘মালয়েশিয়া যাওয়ার জন্য যারা ডাটাবেজ পূরণ করেছেন তাদের যেতে কোনও বাধা থাকবে না।
সম্প্রতি বাংলাদেশের সঙ্গে মালয়েশিয়ার ওয়ার্কিং গ্রুপের মিটিং হয়েছে। মূলত এই মিটিং ছিল দুই দেশের অফিসিয়াল মিটিং। আমাদের যে অনলাইন সিস্টেম আছে, তাদের সঙ্গে সেটাকে ইন্টিগ্রেট করা হয়েছে। এটা আগে হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু হয়নি। তারা তা বাস্তবায়ন করতে সম্মত হয়েছে। আমরা আশা করছি, ১৫ এপ্রিল ২০২৩ তারিখের মধ্যে এটি বাস্তবায়ন হবে। এখান থেকে কর্মী নেওয়া, ক্লিয়ারেন্স এবং রিক্রুটমেন্টের সঙ্গে তাদের ডাটাবেজের সমন্বয় হবে। এর মাধ্যমে আমাদের দেশ থেকে কর্মী যাওয়ার বিষয়টি আরো পরিচ্ছন্ন হবে।
বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত যে পরিমাণ ওয়ার্ক অর্ডার পেয়েছে, সেই সংখ্যক কর্মী এখন পর্যন্ত বিদেশ যেতে পারেনি। এখানে কিছু সমস্যা আছে। আমরা তাদের ভিসা প্রসেসিংয়ের জন্য বাড়তি সেন্টার চালু করতে বলেছি। এটা যত দ্রুত সমাধান করা যায় সে বিষয়টি দেখতে বলেছি।
তিনি জানান, বাংলাদেশ থেকে কর্মী যাওয়ার ক্ষেত্রে বেশিরভাগ খরচ নিয়োগকর্তাদের বহন করার কথা। সেগুলো কতটুকু হচ্ছে সে বিষয়ে কথা হয়। প্রসেসিংটাকে ত্বরান্বিত করা এবং কর্মী কতো দ্রুত পাঠানো যায় সেটিই ছিল আলোচনার মূল বিষয়। মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে কিছু ফি আছে যেগুলো নিয়োগকর্তার বহন করার কথা। অনেকক্ষেত্রে এগুলো কর্মী ও এজেন্টের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। তবে তারা বলেছেন, এই বিষয়গুলো তারা স্পষ্ট করবেন।