নভেম্বর ৩০, সিএমজি বাংলা ডেস্ক: চীনের ১৫তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় (২০২৬-২০৩০) বিশেষ গুরুত্ব পেতে চলেছে স্বাস্থ্য খাত। এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমেই ২০৩০ সালের মধ্যে জনগণের গড় আয়ু ৭৯ থেকে ৮০ বছরে উন্নীত করতে চায় দেশটি। সম্প্রতি এ তথ্য জানিয়েছেন চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের পরিচালক লেই হাইছাও।
লেই জানান, চীনাদের গড় আয়ু বাড়াতে নেওয়া হয়েছে ‘স্বাস্থ্য অগ্রাধিকার’ নীতি। একে কেন্দ্র করে জনস্বাস্থ্য সক্ষমতা বৃদ্ধি, রোগ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা শক্তিশালী করা এবং বড় সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে নেওয়া হবে সমন্বিত উদ্যোগ।
এ কাজে স্থানীয় পার্টি কমিটিগুলোর কর্মক্ষমতা মূল্যায়নও করা হবে। মূল্যায়নের সূচক হিসেবে বিবেচনা করা হবে গড় আয়ু, শিশু-মাতৃ মৃত্যুহার, সংক্রামক ও দীর্ঘস্থায়ী রোগ নিয়ন্ত্রণ, এবং শিশুসেবা উন্নয়নের হার।
২০২৪ সালের স্বাস্থ্যসাক্ষরতার হার ছিল ৩১ দশমিক ৮৭ শতাংশ। ২০৩০ সালের মধ্যে তা ৪০ শতাংশের বেশি করার লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে। সংক্রামক রোগ মোকাবিলায় নজরদারি, ল্যাব টেস্ট, এবং জরুরি চিকিৎসা প্রতিক্রিয়াও জোরদার করা হবে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের সরঞ্জাম হালনাগাদ করা হবে এবং শিশু বিভাগ, মানসিক স্বাস্থ্য, জরুরি সেবা, চীনা ঐতিহ্যবাহী চিকিৎসা, পুনর্বাসন ও নার্সিং সেবা উন্নত করা হবে।
জন্মহার হ্রাস মোকাবিলায় মাতৃত্বকালীন ভাতা, মাতৃত্বকালীন ছুটি, বিনামূল্যে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা এবং স্বল্পমূল্যের শিশুসেবা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। বয়স্ক জনগোষ্ঠী বাড়তে থাকায় দীর্ঘমেয়াদি সেবা বীমা, ঘরে বসে চিকিৎসা ও হোম-বেড সেবা সম্প্রসারণ করা হবে।
ফয়সল/নাহার
তথ্য ও ছবি: সিনহুয়া
Advertisement