বিশ্বজুড়ে কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটগুলো চীনা ভাষা ও সংস্কৃতি প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আফসার কামাল। তিনি বলেন, এটি কেবল একটি প্রতিষ্ঠানের নাম নয়, প্রাচীন চীনা ইতিহাস, ঐতিহ্য, দর্শন এবং সংস্কৃতির প্রতীক।
বুধবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে ২০২৬ ‘সিআইডিইউ চাইনিজ ফিল্ম ডে’তে যোগ দিয়ে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে আয়োজন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট ও আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী । বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশে চীনা দূতাবাসের কালচারাল কাউন্সেলর লি শাওফেং।
আফসার কামাল তার বক্তব্যে কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের ইতিহাস তুলে ধরে জানান, ২০০৪ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে প্রথম কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। পরে পর্যায়ক্রমে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে বিশ্বের ১৬৪টি দেশে পাঁচ শতাধিক কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট সচল রয়েছে।
ঢাবিতে কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের অগ্রযাত্রা সম্পর্কে এই অধ্যাপক জানান, ২০১৬ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এই ইনস্টিটিউটের কার্যক্রম শুরু হয়।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের পক্ষ থেকে তৃতীয় ভাষা হিসেবে বিশেষ করে চীনা ভাষা শিক্ষার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসেও অনেক শিক্ষার্থী আগ্রহের সাথে চীনা ভাষা শেখার বিভিন্ন প্রোগ্রামে অংশ নিচ্ছে।
ভবিষ্যতে কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের পরিধি ও শিক্ষার্থীর সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং এটি আরও বেশি সাফল্য অর্জন করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চীনা ভাষা শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রম প্রসারে গেল দশ বছর ধরে কাজ করছে কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট।
সূত্র: সিএমজি