জুন ৩, সিএমজি বাংলা ডেস্ক: সামরিক সম্প্রসারণ এবং যুদ্ধের প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য বহিরাগত হুমকির অজুহাত জাপানি সামরিকবাদের একটি চিরচেনা কৌশল বলে মন্তব্য করেছেন চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং।
মঙ্গলবার নিয়মিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি।
জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি এবং মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথের সাম্প্রতিক কিছু বক্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় মাও নিং এ মন্তব্য করেন। সম্প্রতি জাপানি সরকার তাদের ‘প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি হস্তান্তর সংক্রান্ত নীতিমালার ৩টি মূল নীতি’ সংশোধন করার ঘোষণা দেওয়ার পর মার্কিন ও জাপানি শীর্ষ কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে ওইসব বক্তব্য আসে।
চীনা মুখপাত্র বলেন, পটসডাম ঘোষণার মতো আন্তর্জাতিক দলিলে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে, আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী জাপান "সম্পূর্ণরূপে নিরস্ত্রীকরণ" বজায় রাখতে বাধ্য। একই সাথে এমন কোনো শিল্প গড়ে তোলা বা টিকিয়ে না রাখার বিষয়েও বাধ্যবাধকতা রয়েছে যা দেশটিকে "যুদ্ধের জন্য পুনরায় সশস্ত্র হতে" সহায়তা করবে।
মাও নিং অভিযোগ করে বলেন, এত কিছুর পরেও জাপান মারাত্মক বা প্রাণঘাতী অস্ত্র রপ্তানির ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছে, তাদের যুদ্ধযন্ত্র পুনর্গঠন করছে এবং আক্রমণাত্মক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা নীতির দিকে দ্রুত ঝুঁকে পড়ছে। এই বিপজ্জনক পদক্ষেপগুলোর সাথে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পূর্ববর্তী জাপানের সামরিকবাদীদের নেওয়া পদক্ষেপগুলোর এক আশঙ্কাজনক মিল রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সামরিকবাদকে প্রশ্রয় ও তোষামোদ করার ফল কতটা বেদনাদায়ক হতে পারে, ইতিহাস বিশ্বকে সেই শিক্ষা দিয়েছে। একবার যদি এই 'প্যান্ডোরার বাক্স' খুলে যায়, তবে এই দানবকে বড় করার পরিণতি থেকে কেউ রেহাই পাবে না।
শুভ/সাকিব
তথ্য ও ছবি: সিনহুয়া