চীন ও বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক দীর্ঘদিনের বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। শিক্ষা, গবেষণা এবং একাডেমিক সহযোগিতা জোরদারের লক্ষ্যে সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এবং থোংচি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
ঢাবির পক্ষে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এবং থোংচি বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী অফিসের পরিচালক অধ্যাপক ছেন ইলি এ সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।
এতে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, ফার্মেসি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সেলিম রেজা, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম, ইউল্যাবের উপাচার্য ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. সামসাদ মর্তূজা, ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স অফিসের পরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দা রোযানা রশীদ, কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. ইয়াং হুই, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মুনসী শামস উদ্দিন আহম্মদ, থোংচি বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ অব কন্টিনিউয়িং এডুকেশনের ডিন অধ্যাপক চিন ফু’আনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, দুই বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শিক্ষক, গবেষক, শিক্ষার্থী ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের বিনিময়, যৌথ গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা, তথ্য ও জ্ঞান আদান-প্রদান, সেমিনার, সম্মেলন, কর্মশালা এবং প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আয়োজনসহ উচ্চশিক্ষা ও বৈজ্ঞানিক গবেষণার বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানো হবে। এ ছাড়া প্রকাশনা ও অন্যান্য একাডেমিক কার্যক্রমের মাধ্যমেও পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিক্ষা, প্রযুক্তি ও গবেষণাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে চীনের সহযোগিতা বাংলাদেশ গভীরভাবে মূল্যায়ন করে।
তিনি আরও বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও থোংচি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মাধ্যমে দুই প্রতিষ্ঠানের একাডেমিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। এর ফলে যৌথ গবেষণা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময়, উদ্ভাবনী কার্যক্রম এবং বিভিন্ন একাডেমিক কর্মসূচি বাস্তবায়নের নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে।
সূত্র: সিএমজি বাংলা