চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই’র সঙ্গে বৈঠক করেছেন জিবুতির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতাবিষয়ক মন্ত্রী আব্দুলকাদের হুসেইন ওমর। বুধবার বেইজিংয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য ওয়াং ই বলেন, ‘দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানের কৌশলগত দিকনির্দেশনায় চীন-জিবুতি সম্পর্ক সুস্থ ও স্থিতিশীলভাবে এগিয়ে চলেছে। তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশের রাজনৈতিক পারস্পরিক আস্থা আরও গভীর হয়েছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার সুফল ভোগ করছে জিবুতির জনগণ।‘
ওয়াং বলেন, ‘এক-চীন নীতির প্রতি জিবুতির অবিচল অবস্থানকে চীন স্বাগত জানায়। পাশাপাশি, চীনের মূল স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে জিবুতি ভবিষ্যতেও দৃঢ় সমর্থন অব্যাহত রাখবে বলে আশা করে চীন।‘
ওয়াং আরও বলেন, ‘চীন-জিবুতি সর্বাত্মক কৌশলগত অংশীদারত্বকে চীন গুরুত্ব দেয় এবং জিবুতির সঙ্গে বাস্তব-ভিত্তিক সহযোগিতা আরও গভীর করতে আগ্রহী।‘
ওয়াং বলেন, ‘চলতি বছরের শুরু থেকে আফ্রিকার সংঘাতপূর্ণ ও সংকটাপন্ন বিষয়গুলোর সমাধানে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর গঠনমূলক অংশগ্রহণ নিয়ে চীন চারটি নীতি প্রস্তাব করেছে। পাশাপাশি, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় একাধিক উদ্যোগ নিয়েছে।‘ তার মতে, এসব প্রচেষ্টা দায়িত্বশীল বৃহৎ রাষ্ট্র হিসেবে চীনের ভূমিকা তুলে ধরে এবং আঞ্চলিক শান্তির বিষয়ে জনগণের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
ওমর বলেন, ‘দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার পর থেকেই পারস্পরিক আস্থা এবং একে অপরের মূল স্বার্থের প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধার নীতির ভিত্তিতে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নিচ্ছে জিবুতি।‘ তিনি আরও বলেন, ‘দুই দেশের সর্বাত্মক কৌশলগত অংশীদারত্বের বিষয়বস্তু ও পরিসর আরও সমৃদ্ধ করতে আগ্রহী জিবুতি।‘
বিশ্বে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় চীনের অবদানের প্রশংসা করেন ওমর। তিনি বলেন, ‘জাতিসংঘ সনদের উদ্দেশ্য ও নীতিমালা মেনে চলা এবং বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধানের বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে ব্যাপক ঐকমত্য রয়েছে। আন্তর্জাতিক বিষয়গুলোতে চীনের সঙ্গে যোগাযোগ ও সংলাপ জোরদার করতেও প্রস্তুত জিবুতি।‘
সূত্র: সিএমজি