জুন ৩, সিএমজি বাংলা ডেস্ক: ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক সংঘাত এবং বৈশ্বিক বাজারের তীব্র অস্থিরতার মধ্যেও অভ্যন্তরীণ জ্বালানি বাজার স্থিতিশীল রাখতে সক্ষম হয়েছে চীন। একইসঙ্গে নিজেদের হাই-টেক উদীয়মান শিল্প খাতকে সুরক্ষিত রেখে পরিবেশবান্ধব জ্বালানি রূপান্তরের অনন্য দৃষ্টান্তও স্থাপন করেছে দেশটি।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, চীনের পঞ্চদশ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার (২০২৬-২০৩০) রূপরেখায় প্রথমবারের মতো দেশকে একটি ‘জ্বালানি পরাশক্তি’ হিসেবে গড়ে তোলার প্রস্তাব করা হয়েছে।
চতুর্দশ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা মেয়াদে চীনের মোট জ্বালানি উৎপাদন ৫০০ কোটি টন স্ট্যান্ডার্ড কয়লা সমতুল্য ছাড়িয়েছে, যা বৈশ্বিক মোটের এক-পঞ্চমাংশ এবং এর ফলে দেশটির জ্বালানি আত্মনির্ভরশীলতা ৮০ শতাংশের বেশি বজায় রয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে এই উৎপাদন ৫৮০ কোটি টনে উন্নীত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।
চীনের নতুন পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় আগামী এক দশকে অ-জীবাশ্ম জ্বালানি উৎপাদন দ্বিগুণ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। ২০২৬ সালের মার্চ মাসের শেষ নাগাদ চীনের মোট নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন সক্ষমতা গত বছরের তুলনায় ২২ শতাংশ বেড়ে ২৩৯ কোটি ৫০ লাখ কিলোওয়াটে পৌঁছেছে, যা দেশটির মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার ৬০.৪ শতাংশ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ২০৩০ সালের মধ্যে চীনের অ-জীবাশ্ম জ্বালানিভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ৫০ শতাংশ ছাড়িয়ে যাবে এবং নতুন জ্বালানিই হবে বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রধান উৎস।
শুভ/ফয়সল
তখ্য ও ছবি: সিনহুয়া।