চীনের রাষ্ট্রীয় পরিষদের তাইওয়ানবিষয়ক কার্যালয়ের নিয়মিত সংবাদ সম্মেলন গতকাল (শনিবার) বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে তাইপেইতে লাই চিং-তের দেওয়া তথাকথিত ‘ডাবল টেন’ ভাষণের প্রতিক্রিয়া জানান কার্যালয়ের মুখপাত্র চাং হান।
তিনি বলেন, লাই চিং-তের ভাষণ বাস্তবতাকে উপেক্ষা করে, সত্যকে বিকৃত করে এবং জনগণকে বিভ্রান্ত করে। এর উদ্দেশ্যও গভীরভাবে সন্দেহজনক। ভাষণে তিনি ‘তাইওয়ানের স্বাধীনতা’র বিচ্ছিন্নতাবাদী অবস্থানে অনড় থেকেছেন, ‘মহাদেশীয় হুমকি’র প্রচার করেছেন এবং ‘সামরিক শক্তির মাধ্যমে তাইওয়ানের স্বাধীনতা’ ও ‘বিদেশি শক্তির ওপর নির্ভর করে তাইওয়ানের স্বাধীনতা’ অর্জনের চেষ্টা করেছেন। এসব বক্তব্য তাইওয়ান প্রণালির দুই পাশের বিরোধ ও সংঘাত উসকে দিচ্ছে এবং প্রণালির শান্তি ও স্থিতিশীলতা ক্ষুণ্ন করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
চাং হান বলেন, বিশ্বে একটি মাত্র চীন রয়েছে এবং তাইওয়ান চীনেরই অংশ—এটাই তাইওয়ান প্রণালির দুই পাশের বাস্তব অবস্থা। এক-চীন নীতি আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মৌলিক নীতি এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাধারণ ঐকমত্য। এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী আন্তর্জাতিক ব্যবস্থারও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাইওয়ানের ভবিষ্যৎ কেবল তাইওয়ানের স্বদেশিসহ চীনের সব জনগণ সম্মিলিতভাবে নির্ধারণ করতে পারে।
তিনি আরও বলেন, তাইওয়ানের বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তির বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান নেবে চীন, বাইরের হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করবে এবং প্রণালির দুই পাশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষা করবে।
চাং হান বলেন, চীন ‘তাইওয়ান প্রণালির দুই পাশের মানুষ একই পরিবারের সদস্য’—এই ধারণা সমুন্নত রাখবে। পাশাপাশি দুই পাশের মধ্যে যোগাযোগ ও সহযোগিতা আরও গভীর করা, সম্পর্কের শান্তিপূর্ণ ও সমন্বিত উন্নয়ন এগিয়ে নেওয়া এবং জাতীয় পুনর্মিলন ও চীনা জাতির মহান পুনরুজ্জীবনের লক্ষ্য বাস্তবায়নে কাজ করবে।
সূত্র: সিএমজি