নতুন বইয়ের পাতায় পাতায় গল্প, জ্ঞান আর নতুন ভাবনার খোঁজে সরগরম মেলা প্রাঙ্গন। বইপ্রেমী, লেখক, প্রকাশক আর সংস্কৃতিকর্মীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে শহরটি। মুদ্রিত বইয়ের পাশাপাশি ডিজিটাল প্রকাশনার নতুন দিগন্তও তুলে ধরা হচ্ছে এই আয়োজনে। লুৎফর কবিরের রিপোর্ট।
বুধবার বেইজিংয়ের চায়না ন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে আনুষ্ঠানিকভাবে পর্দা উঠেছে পাঁচ দিনব্যাপী ৩২তম বেইজিং আন্তর্জাতিক বইমেলার। বিশ্বের ৮২টি দেশ ও অঞ্চলের ১ হাজার ৭০০ এর বেশি প্রদর্শক এতে অংশ নিয়েছে। ‘সংলাপ, বিনিময় ও পারস্পরিক লাভজনক সহযোগিতার সেতু হিসেবে বই’—এই প্রতিপাদ্যে আয়োজিত মেলাটি ৬০ হাজার বর্গমিটারজুড়ে। যেখানে দেশীয়, আন্তর্জাতিক ও ডিজিটাল প্রকাশনা মিলিয়ে প্রায় প্রদর্শীত হচ্ছে ২ লাখ ২০ হাজার বই ও প্রকাশনা।
মেলায় সম্মানিত অতিথি দেশ হয়ে অংশ নিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। রাশিয়া, ফ্রান্স, জার্মানি ও ইতালিসহ ২০টিরও বেশি দেশেরও আছে প্যাভিলিয়ন। বিশ্বের ৩০টি শীর্ষস্থানীয় প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানও মেলায় অংশ নিয়েছে। এর মধ্যে আছে স্প্রিঙার ন্যাচার ও পেঙ্গুইন র্যান্ডম হাউজের মতো বিশ্ব খ্যাতিসম্পন্ন প্রকাশনা সংস্থা।
মেলার অন্যতম আকর্ষণ অনলাইন প্রকাশনা বিভাগ। ডিজিটাল সাহিত্য, অনলাইন গেমস, অ্যানিমেশন এবং অন্যান্য সৃজনশীল ডিজিটাল কনটেন্ট শিল্পের অগ্রগতি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। উদ্বোধনী দিনে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য ও প্রচার বিভাগের প্রধান লি শুলেই মেলা পরিদর্শন করেন এবং আয়োজনের খোঁজখবর নেন।
আপস…আয়োজকরা বলছেন, বেইজিং আন্তর্জাতিক বইমেলা শুধু প্রকাশনা শিল্পের একটি প্রদর্শনী নয়; এটি সংস্কৃতি, জ্ঞান ও চিন্তার বৈশ্বিক বিনিময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম।