জুন ২৩, সিএমজি বাংলা ডেস্ক: চীনের বেসামরিক বিমান চলাচল খাত ধারাবাহিকভাবে তাদের আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করছে। শুধু জুন মাসেই ৫০টি নতুন আন্তর্জাতিক রুট চালু করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইন্সের এমইউ২৫৫ ফ্লাইট শাংহাই পুতোং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সুইজারল্যান্ডের জুরিখের উদ্দেশে প্রথম যাত্রা শুরু করে। ২০২৫ সালে চালু হওয়া শাংহাই-জেনেভা রুটের পর এটি দেশটিতে সংস্থার দ্বিতীয় রুট।
চায়না ইস্টার্ন এয়ারলাইন্সের নেটওয়ার্ক রাজস্ব বিভাগের জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক শি ইয়ানইয়ান বলেন, ‘চলতি বছরের জুন থেকে জুলাইয়ের মধ্যে আমরা শাংহাই পুতোং থেকে অস্ট্রেলিয়ার অ্যাডিলেড, সুইডেনের স্টকহোম, জর্জিয়ার তিবিলিসি, আয়ারল্যান্ডের ডাবলিন এবং দক্ষিণ কোরিয়ার চংজুতে নতুন রুট চালু করব। ভারতের মুম্বাইয়ে নতুন রুট চালুর প্রস্তুতিও চলছে।‘
এদিকে গত দুই মাসে এয়ার চায়না বেইজিং তাসিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট এবং ইতালির মিলানে নতুন ফ্লাইট পরিষেবা চালু করেছে।
শনিবার হাইনান এয়ারলাইন্স তাদের চীন-ইউরোপ নেটওয়ার্কে একটি নতুন রুট যুক্ত করেছে, যা হাইনান প্রদেশের রাজধানী হাইখৌ, দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের ছোংছিং পৌর এলাকা এবং স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদকে সংযুক্ত করেছে।
অন্যদিকে, চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্স কুয়াংচৌ-উরুমছি-ফ্রাঙ্কফুর্ট এবং উরুমছি-বিশকেকসহ কয়েকটি রুট চালু বা পুনরায় চালু করেছে, যার মাধ্যমে আরও বেশি বিমানবন্দরকে চীনের বৈশ্বিক বিমান যোগাযোগ নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের পর্যটক এডওয়ার্ড গুয়েরা (তৃতীয়) বলেন, ‘বিমানটি ছিল অসাধারণ। অবতরণের পর বিমানবন্দরটিও দারুণ লেগেছে। চীনে সবাই আমাদের সঙ্গে খুব ভালো আচরণ করেছে। সত্যিই অসাধারণ দেশ, অসাধারণ মানুষ।‘
এডওয়ার্ড গুয়েরা জুনিয়র বলেন, ‘সবকিছুই খুব সুবিধাজনক, বিশেষ করে গণপরিবহন ব্যবস্থা। সবকিছুই চমৎকার। আমরা লাইট রেলে যাতায়াত করেছি।‘
সরাসরি ও সংযোগ ফ্লাইটের সমন্বয়ে চীন ৮৬টি দেশজুড়ে একটি বহুমাত্রিক আন্তর্জাতিক রুট নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে।
২০২৬ সালের গ্রীষ্ম-শরৎকালীন বিমান চলাচল মৌসুমে চীনের আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। এ সময় ১৯১টি এয়ারলাইন্স প্রতি সপ্তাহে ২১ হাজার ৪৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা করবে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি।
সাকিব/জেনিফার
তথ্য ও ছবি: সিসিটিভি