Friday, November 6, 2026
Live
আন্তর্জাতিক
Verified
২ মিনিটে পড়া যাবে

জ্বালানি সহযোগিতায় নতুন যুগে চীন-রাশিয়া

ফয়সল আব্দুল্লাহ
প্রকাশ: আপডেট:
জ্বালানি সহযোগিতায় নতুন যুগে চীন-রাশিয়া

বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা থামেনি। এর মাঝে জ্বালানি সহযোগিতা আরও গভীর করছে চীন-রাশিয়া। স্থিতিশীল জীবাশ্ম জ্বালানি সরবরাহের পাশাপাশি নতুন প্রজন্মের পরিচ্ছন্ন জ্বালানি সহযোগিতাও জোরদার করছে দু’দেশ।

২০২৫ সালের শুরু থেকে দু’দেশের জ্বালানি সমন্বয় আরও সুসংহত হয়েছে। এখন রাশিয়া থেকে চীনে বছরে প্রায় ৩ কোটি টন অপরিশোধিত তেল রপ্তানি হচ্ছে। সেই হিসাবে এখন রাশিয়ার তেল রপ্তানির সবচেয়ে বড় বাজার চীন।

দুই দেশের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ও পাইপলাইন সহযোগিতাও সম্প্রসারিত হচ্ছে। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে রাশিয়া ইয়ামাল এলএনজি প্রকল্প-সংক্রান্ত অতিরিক্ত সহযোগিতা চুক্তি অনুমোদন করে, যার মাধ্যমে আর্কটিক অঞ্চলে দীর্ঘমেয়াদি এলএনজি সহযোগিতা আরও শক্তিশালী হয়।

গ্যাস পাইপলাইনও দুই দেশের সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ২০২৫ সালে ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া–১’ পাইপলাইন পূর্ণ সক্ষমতায় চালু হয়ে বছরে প্রায় ৩৮ বিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস সরবরাহ করছে।

চলতি বছরের এপ্রিলে চীন ও রাশিয়ার কয়েকটি প্রতিষ্ঠান সীমান্তজুড়ে হাইড্রোজেন পরিবহন করিডর গড়ে তোলার বিষয়ে সমঝোতা স্মারক সই করেছে। এটি দুই দেশের মধ্যে প্রথম সীমান্তপার হাইড্রোজেন পরিবহন প্রকল্প। পরিকল্পনা অনুযায়ী সীমান্তবর্তী অঞ্চলের প্রধান মহাসড়কগুলোর পাশে হাইড্রোজেন উৎপাদন কেন্দ্র ও রিফুয়েলিং স্টেশন নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হবে।

চীনের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শেষ নাগাদ দেশটিতে ৫৭৪টি হাইড্রোজেন রিফুয়েলিং স্টেশন স্থাপন করা হয়েছে, যেগুলোর দিনে জ্বালানি সরবরাহ সক্ষমতা ৩৬০ টনের বেশি। একই সময় পর্যন্ত ফুয়েল-সেলচালিত যানবাহনের বিক্রিও পৌঁছেছে প্রায় ৪০ হাজারে।

২০২৫ সালে পূর্ণ সক্ষমতায় চালু হওয়া ‘পাওয়ার অব সাইবেরিয়া–১’ পাইপলাইন বছরে ৩৮ বিলিয়ন ঘনমিটার গ্যাস সরবরাহ করছে, যা প্রায় ১৩ কোটি পরিবারের জ্বালানি চাহিদা পূরণে সক্ষম।

২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে গ্যাজপ্রম ও সিএনপিসি পাইপলাইনের বার্ষিক সক্ষমতা ৩৮ বিলিয়ন থেকে ৪৪ বিলিয়ন ঘনমিটারে উন্নীত করার বিষয়ে একমত হয়। একই সঙ্গে দূরপ্রাচ্য রুটের সক্ষমতাও ১০ বিলিয়ন থেকে ১২ বিলিয়ন ঘনমিটারে বাড়ানো হয়েছে।

চীন-রাশিয়ার সহযোগিতা এখন উন্নত পারমাণবিক জ্বালানি ও স্বল্প-কার্বন প্রযুক্তির দিকেও যাচ্ছে। দুই দেশের মধ্যে দ্রুত নিউট্রন রিয়্যাক্টর ও ফিউশন গবেষণায় সম্ভাব্য সহযোগিতা নিয়েও চলছে আলোচনা।

সূত্র: সিএমজি

লেখাটি রেটিং দিন

লেখাটি আপনার কেমন লেগেছে?

ফয়সল আব্দুল্লাহ

ফয়সল আব্দুল্লাহ

সিএমজি

তিনি দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতা ও লেখালেখি করছেন।

Featured Products

View All

আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

We are committed to accurate, well-researched, and trustworthy journalism.

Fact-Checked

Every claim is verified by our editorial team before publication.

Expert Review

Content reviewed by subject matter experts for accuracy.

Regularly Updated

We update content to reflect the latest developments.

Unbiased Coverage

We present balanced perspectives and multiple viewpoints.