Thursday, November 5, 2026
Live
আন্তর্জাতিক
Verified
৩ মিনিটে পড়া যাবে

সি-এর বক্তব্যে যেভাবে চীনের বিজ্ঞান-প্রযুক্তিবিষয়ক পথরেখার দেখা মেলে

সিএমজি
সিএমজি বাংলা বিভাগ
প্রকাশ: আপডেট:
সি-এর বক্তব্যে যেভাবে চীনের বিজ্ঞান-প্রযুক্তিবিষয়ক পথরেখার দেখা মেলে

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে আত্মনির্ভরতা ও সক্ষমতা অর্জনের প্রচেষ্টাকে ত্বরান্বিত করতে এবং চীনা ধাঁচের আধুনিকায়নের ভিত্তি সুদৃঢ় ও এতে গতি সঞ্চারের আহ্বান জানান চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং।

মঙ্গলবার চীনের জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি পুরস্কার সম্মেলন, চীনা বিজ্ঞান একাডেমির (সিএএস) সদস্যদের সাধারণ সভা, চীনা প্রকৌশল একাডেমির (সিএই) সদস্যদের সাধারণ সভা এবং চীন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সমিতির ১১তম জাতীয় কংগ্রেসকে একত্রিত করে আয়োজিত এক সভায় বক্তব্য দেন প্রেসিডেন্ট সি। সেখানে তিনি চীনকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিখাতে বিশ্বশক্তিতে পরিণত করার জন্য অগ্রাধিকারমূলক কর্মসূচিগুলো তুলে ধরেন।

চীনা প্রেসিডেন্টের দেওয়া বক্তব্য প্রসঙ্গে সিজিটিএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দুই চীনা গবেষক বলেন, এই বক্তব্যে দুটি দিক বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে—উদ্ভাবনের গতি বাড়াতে প্রতিভাবান জনশক্তি গড়ে তোলা এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে উচ্চমানের আত্মনির্ভরতা ও সক্ষমতা অর্জন।

সি তরুণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রতিভা গড়ে তোলার গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, গবেষণাকে শিক্ষার সঙ্গে সমন্বিত করতে হবে এবং গবেষকদের বাস্তব সমস্যাগুলো অতিক্রম করতে আরও বেশি সহায়তা দিতে হবে।

তিনি আরও বলেন, তরুণদের আগ্রহ, সক্ষমতা, বৈজ্ঞানিক জ্ঞান ও পরীক্ষামূলক দক্ষতা চিহ্নিত ও বিকশিত করার উদ্যোগ নিতে হবে, যাতে আরও বেশি তরুণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতে পেশা গড়তে অনুপ্রাণিত হয়।

শাংহাই চিয়াও থোং বিশ্ববিদ্যালয়ের আনথাই অর্থনীতি ও ব্যবস্থাপনা কলেজের ভাইস-ডিন লিউ শাওসুয়ানের মতে, প্রতিভাবান জনশক্তিই বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও শিল্পক্ষেত্রে তার প্রয়োগের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ।

লিউ বলেন, বৈজ্ঞানিক গবেষণার সাফল্যকে বাস্তব শিল্পে রূপান্তরের পথে যে প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, তা অতিক্রমের মৌলিক ভিত্তি হলো দক্ষ জনশক্তি।"

তিনি উল্লেখ করেন, গবেষণার ফলাফলকে বাণিজ্যিকভাবে কাজে লাগাতে চীনের এমন পেশাজীবী প্রয়োজন, যারা শুধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিই নয়, শিল্প, অর্থনীতি, আইন ও ব্যবস্থাপনাতেও দক্ষ।

লিউর মতে, এ ধরনের উদ্যোগ শিক্ষা ও বৈজ্ঞানিক গবেষণার মধ্যে আরও গভীর সমন্বয় গড়ে তোলার বিষয়ে সি চিন পিংয়ের আহ্বানের সরাসরি প্রতিফলন এবং এটি চীনের উদ্ভাবননির্ভর উন্নয়নের জন্য দীর্ঘমেয়াদি মানবসম্পদ সহায়তা নিশ্চিত করবে।

সি তার বক্তব্যে বলেন, ‘আমাদের অবশ্যই এই ঐতিহাসিক সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে উচ্চমানের আত্মনির্ভরতা ও সক্ষমতা অর্জনের প্রচেষ্টা ত্বরান্বিত করা এবং ২০৩৫ সালের মধ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্যের দিকে অবিচলভাবে এগিয়ে যেতে হবে।‘

ছিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক ছুই ইয়োং বলেন, সি চিন পিংয়ের বক্তব্য স্পষ্টভাবে তুলে ধরে যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে উচ্চমানের আত্মনির্ভরতা ও সক্ষমতা অর্জন আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের সঙ্গে পরস্পরবিরোধী নয়। আত্মনির্ভরতা মানে উদ্ভাবনের দরজা বন্ধ করে দেওয়া নয়।

তিনি আরও বলেন, নিরাপত্তা ও উন্মুক্ততার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখতে পারলে চীন একদিকে যেমন নিজের বৈজ্ঞানিক সক্ষমতা আরও বাড়াতে পারবে, অন্যদিকে সহযোগিতা ও পারস্পরিক শিক্ষার মাধ্যমে বৈশ্বিক উদ্ভাবনেও আরও সক্রিয় অবদান রাখতে সক্ষম হবে।

সূত্র: সিএমজি বাংলা

লেখাটি রেটিং দিন

লেখাটি আপনার কেমন লেগেছে?

সিএমজি

সিএমজি

বাংলা বিভাগ

চায়না মিডিয়া গ্রুপ (CMG) চীনের রাষ্ট্রীয় রেডিও ও টেলিভিশন সম্প্রচারকারী প্রধান কোম্পানি।

Featured Products

View All

আমাদের সম্পাদকীয় নীতি

We are committed to accurate, well-researched, and trustworthy journalism.

Fact-Checked

Every claim is verified by our editorial team before publication.

Expert Review

Content reviewed by subject matter experts for accuracy.

Regularly Updated

We update content to reflect the latest developments.

Unbiased Coverage

We present balanced perspectives and multiple viewpoints.